কেমনে দিবো মায়েরে গৃহশ্রমমূল্য

রবিবার, মে ৬, ২০১৮ ১:৫৮ PM | বিভাগ : সমাজ/গবেষণা


প্রতি বছর অনেক কর্মজীবি মা তার সন্তানদের দেখভালের জন্য চাকরী ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্ত কাজ না করার অভিজ্ঞতা সবসময় নারীদের জন্য ভালো নয়। কেননা চাকরী থেকে ইস্তফা দেবার পর ঐ মা মানসিক একটা ট্রমার মধ্যে গিয়ে পড়েন। সামনে তার ব্যক্তিগত অনিশ্চয়তা আর একই সাথে সন্তানের নিরাপত্তাহীনতা তাকে প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খায়। এক পর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীনতা তাকে বিপদগ্রস্ত হতে প্রলুব্ধ করে। ১ মে দৈনিক প্রথম আলো’তে মিরপুর পাইকপাড়ার সরকারী কোয়ার্টার থেকে পাওয়া মা ও সন্তানদের লাশের খবর উঠে আসে। খবরে জানা যায় সরকারী চাকরীজীবি ওই মা কতটা অসহায় আর অনিরাপদ মনে করে তার চাকুরী ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ওই মার বাসায় আরও লোকজন ছিলো যারা অনায়াসে সন্তান দেখভাল করতে পারতেন। কিন্ত মায়ের কাছে তা পর্যাপ্ত মনে হয় নি এবং তিনি তার সরকারী চাকরী ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত হয়ে কয়েকবার আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ‌এবং শেষতক দু’সন্তানসহ আত্মহত্যাই করেন।

১২ ডিসেম্বর ২০১৪ তে CLAIRE CAIN MILLER and LIZ ALDERMAN তাদের লেখা  Why U.S. Women Are Leaving Jobs Behind নামক গবেষণামূলক লেখায় বলেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ Francine Blau মনে করেন, "বৃহত্তর সমাজে নারী পুরুষ উভয়েই সমান, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও নারীরা বাড়ির বাইরে কাজ করে এগিয়ে চলেছে বলে মনে হয়"।

আমার মনে প্রশ্ন জাগে তাহলে সাম্যবাদ কি আদৌ সম্ভব যদি নারী –পুরুষের ঘরের আর সন্তানের কাজের দায়িত্বে ভাগ বাটোয়ারা না হয়?

এমনকি প্রবৃদ্ধি আর অগ্রগতিতে এগিয়ে ইউরোপেও কর্মক্ষেত্রে সমতা অর্জন করেছে এমনটা বলা যায় না। সমতা নীতি নারীদেরকে পরিসংখ্যানগত দিক দিয়ে বড় সংখ্যায় কাজ করছে বলে প্রকাশ করলেও তারা মূলত পার্টটাইম কাজের গন্ডিতেই আটকে যায়। আর মাতৃত্বকালীন লম্বাছুটিতে পিছিয়ে যায়। প্যারিসের ওআইসিসি'র সামাজিক নীতি বিভাগের একজন সিনিয়র অর্থনীতিবিদ উইল্লেম আদেমা বলেন, "পার্ট টাইম চাকরিতে প্রায়ই কম বেতন দেওয়া হয়। লিঙ্গ-সমতার দৃষ্টিকোণ থেকে এক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে"। অন্যদিকে" এটি ভালো মানের কাজগুলিতে অপেক্ষাকৃত সীমিত সুযোগের একটি চিহ্ন বহন করে।"

আর মিসেস ব্লাউ এর গবেষণা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা কাজে কম অংশ নিতে পারে, অথচ তারাই যখন আবার কাজে আসে, তখন তারা আরও সফল হতে ঝোঁক দেখায়। সুতরাং, নারীর দক্ষতা প্রমাণের বাহুল্যতার প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজন সমতার। তাই সমতা আনতে গৃহকর্মের স্বীকৃতি আর সমান বন্টন জরুরি। যা শুধু নারী-পুরুষের আপোষ মাত্র নয় বরং এর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবি রাখে।

এতো গেলো উন্নত দেশের অবস্থা। কিন্ত কম শিক্ষিত এবং নিম্ন আয়ের মহিলাদের কাজের জায়গায় ‘শিশুদের জন্য গৃহের কাজ এবং শিশুদের তার জীবনের অংশ বিষয়টি উত্থাপন করার প্রচেষ্টা বিশেষ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। গবেষক টাফার স্টোন বলেন, "নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির জন্য, এটি আক্ষরিকভাবে কাজ করার মতো নয়, যদি শিশুটির যত্নের খরচ অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে থাকে।" এবং নারীদের জন্য এটি কার্যকরী করা একটা কঠিন কাজ"

১৯৭০-এর দশকের শুরুতে উন্নত এ দেশগুলোতে দেখা যেতো, লোকেরা কম বয়সে বিয়ে করে এবং প্রায়ই তালাকও দ্রুত পেয়ে থাকে, তাই নারীরা তাদের শিক্ষা এবং কর্মজীবনে আরো বিনিয়োগ করেন।

সুতরাং নারীর কর্ম স্বাধীনতা ও স্বীকৃতির জন্য একটি সমাধান হতে পারে নারীদের একটি স্বতন্ত্র ভবিষ্যতের জন্য তারা বিবাহ এবং পরিবারের আগে তাদের নিজেদের পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে আরো গুরুত্ব দেবে।", হাভার্ড অর্থনীতিবিদ  Claudia Goldin, তার a history of women’s economic roles এ এমনটাই পরামর্শ প্রদান করেন।

কিন্তু কিছু নারীবাদী বিপ্লব থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাবে কিছু  স্থবিরতা দেখা গেছে। ২০০৭ সাল থেকে একটি পিউ রিসার্চ সেন্টার একটি জরিপ রিপোর্ট করেছে যেখানে ৪১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্করা বলছেন,  যে মায়েদের ছোট শিশু আছে তাদের ক্ষেত্রে চাকরী সমাজের জন্য খারাপ। আর হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে তাদের মধ্যে ২০জন গ্রাজুয়েট মনে করে তাদের স্ত্রীদের তুলনায় পুরুষদের চাকুরী বা ক্যারিয়ার আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করে এবং পুরুষেরা কম চাইল্ড কেয়ার করবে বলে মানসিকতা দেখায়। হায় বিশ্বে দৃষ্টিভঙ্গি এমন অথচ নারীরা সমান সমান আশা করে।

ফ্রান্সে প্রত্যেকটি মা তাদের সন্তানদের জন্মের আগে একটি মাস এবং অর্ধেক সময় মাতৃত্ব ছুটির পায় আর ফ্রান্সের রাষ্ট্র পরিচালিত ডে কেয়ার সিস্টেমে তার সন্তানদের নাম দিলে, যেখানে মাসিক প্রায় $ ৭৪০ সহ শিশুরা জৈবিক খাবার গ্রহণ করে এমনকি ডায়াপারও পায়। "অর্থাৎ মা কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, আবার সন্তানদের সাথে সময় কাটাতে পারেন।" তাহলে সমাধানের অরেকটি পথ হচ্ছে ডে কেয়ারগুলো এমন মাত্রার সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে রাষ্ট্র ‘চাইল্ড মানি’র ব্যবস্থা করবে।

গবেষণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান হ্রাস বিশেষভাবে দেখা গেছে, কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী নৈমিত্তিক শ্রম বাজারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অর্থাৎ চাকুরীর বাজারে নিয়মিত উপস্থিত শ্রমিকের প্রাধান্য। যা নারীর ক্ষেত্রে বিশেষ করে যার ছোট সন্তান আছে তেমন কর্মজীবি মায়ের পক্ষে পালন করা সম্ভব হয় নি। ফলে অর্ধেকের বেশী জনসংখ্যা নারীর চাকুরী ছাড়ার প্রবণতা মোট প্রবৃদ্ধিতে একটি স্পষ্ট নেতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে। ইউরোপের চাকরীর বাজার বৃদ্ধির নামে ইউরোপের দীর্ঘতম তালিকা প্রণীত বিধিমালা এবং বেনিফিট, পরিবার ছেড়ে নীতিসহ, ব্যাপক বেনিফিট দিয়ে নারীর অংশগ্রহণকে উৎসাহ দেয়া হলেও এখনও মনে হচ্ছে মহাদেশের অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকের অনুপস্থিতিতেও অর্থ প্রদান বিষয়টি খরচ ধার্য করা হয়েছে মাত্র। আর জার্মানীতে ছোট বাচ্চা রেখে কাজ করা মা কে Rabenmutter, or “raven mothers” বলে আখ্যা দেয়া হচ্ছে। যার আভিধানিক অর্থ গোগ্রাসে গেলা। আর এখানে যেটা বোঝানো হয়েছে, তা হলো, যে মা সন্তানকে ডে কেয়ারে ছুড়ে ফেলে নিজের ক্যারিয়ারকে গোগ্রাসে গেলে। তাই মায়ের কাজে যা্ওয়ার বাধা বা মায়ের গৃহকর্মকে মূল্যায়নের সমাধানের পথ হিসেবে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন একটি বড় সমাধান হিসেবে দেখা যেতে পারে। যেখানে নারীর কর্মক্ষেত্রে গমন কে স্বাভাবিক মনে করেই পরিবার আর রাষ্ট্রের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

একদল গবেষকের CONCEPTUAL GUIDE TO THE UNPAID WORK MODULE নামক গবেষনায়  unpaid শব্দটির ব্যবহারও ব্যপ্তি পরিষ্কার করে তুলে ধরা হয়। unpaid work হলো এমন অনির্ধারিত কাজ পণ্য বা সেবাসমূহের উৎপাদনকে বোঝায় যা বাজারে বিক্রি না করে একটি পরিবারের অভ্যন্তরে বা বাইরে আহার করা হয়। যেখানে একটি কার্যকলাপকে "কাজ" (বনাম "অবসর") বলে মনে করা হয় যদি ওই নির্দিষ্ট কার্যকলাপ (OECD 2011) করতে একটি তৃতীয় ব্যক্তিকে অর্থ দেওয়া হয়। অর্থাৎ হোমমেকার কাজকে যদি মূল্য দিতে চাই তবে মায়ের হাতে অর্থ দিতে হবে। কেননা কানাডার একদল গবেষক প্রমাণ করেছেন যে কাজকে paid বলছি তা প্রায়ই সামাজিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে নিরূপিত হয় এবং প্রচলিত পরিসংখ্যানগুলিতে বিশেষ করে বাজারের সাথে সংযুক্ত অর্থের সাথে সম্পর্কিত ক্রিয়াকলাপ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয় (Beneria 1999)।

সাম্প্রতিক কয়েক দশকে, জাতীয় পরিসংখ্যান জরিপের ক্ষেত্রে অনভিজ্ঞ কাজ হোমমেকারকে আরও গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করার জন্য অনেক নারী সংগঠন সংগ্রাম করছে। অনেক চ্যালেঞ্জ আর প্রতিকূলতাকে পার করে ১৯৯০-এর দশকে কানাডিয়ান নারী সংগঠন হোমমেকারকে কানাডার পরিসংখ্যানবিদদের কাছে একটি অননুমোদিত প্রশ্ন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং হোমমেকার পরিশ্রমী শ্রম উৎপাদনে অবদান রাখছে এমন ধারনাটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রস্তাব করেছে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের আদমশুমারিতে (লুকটন ও ভোকো ১৯৯৮) অননুমোদিত কাজের সময় ব্যয় করা ব্যক্তিদের পরিমাণ গণনা করা হয়। সময়ের সাথে সাথে, অন্যান্য জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা বিভিন্ন ধরনের অনির্বাচিত কাজ চিহ্নিতকরণ ও শ্রেণিবদ্ধ করার জন্য নির্দেশিকা এবং জরিপ প্রণয়ন করেছে (Picchio 1998; EUROSTAT 2004)।

নারীবাদী পণ্ডিতদের কয়েকটি প্রজন্ম বারবার অনাদৃত কাজকে দৃশ্যমান করার প্রচেষ্টা করা সত্ত্বেও, এটি অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিমাপের বেশিরভাগ পদ্ধতিতে প্রান্তিক হয়। তাই এই গণনার ভেতর আসাটা গৃহকর্মকে মূল্যায়ণে আনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান বলে বিবেচিত হতে পারে।

CONCEPTUAL GUIDE TO THE UNPAID WORK MODULE শিরোনামের এ গবেষনায় বলা হয় -

ঐতিহাসিকভাবে, বাড়িতে (বা হোমওয়ার্ক) প্রদত্ত কাজ শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নারীর কাজের সাথে সম্পর্কিত, উদাহরণস্বরূপ, গার্মেন্টস শিল্প (স্কট ১৯৮৮; এনজি এট আল। ১৯৯৯)। এবং  মহিলাদের জন্য বাড়ির কাজ অবৈতনিক নয় বরং গৃহকর্মের বেতন দেওয়া চাকরির সাথে তুলনা করা যায় প্রমাণ করতে গিয়ে তারা বলেছেন- শিল্পকর্মের পুনর্গঠন এবং তথ্য প্রযুক্তির পরিবর্তনে কিছু সেক্টরের কর্মী যেমন লেখক, সম্পাদক, প্রোগ্রামার, এবং সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা বাড়িতেই কর্ম সঞ্চালনের জন্য স্থানান্তরিত হয়েছে। এ অর্থে বাড়ির কাজ সংখ্যায় বাড়ছে এবং বাড়ির কাজের সংজ্ঞা আর রান্না, কাপড় পরিষ্কার, ছেলেমেয়ে আর বৃদ্ধদের দেখা শোনায় সীমাবদ্ধ নেই। এই পরিবর্তন সত্ত্বেও, গৃহবধূর কাজের ভাগ এবং বাড়ির কাজ সম্পর্কে অসম প্রথাগত প্রত্যাশা বাড়ীতেই চলতে থাকে। উপরন্তু, যে নারীরা বেতনভোগী শ্রমের থেকেও দ্বৈত বোঝা বহন করছে এবং বাড়তি বেতন না দেওয়ায় তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রতিকূল প্রভাব পড়ছে তা এখন স্পষ্ট চিহ্নিত।( ১০০৫; মার্শাল)

এ গবেষণা কানাডিয়ান জনগণের অনির্বাচিত গার্হস্থ্য কার্যক্রমগুলির তালিকা ও কার্যকলাপগুলির বৈচিত্র্য এবং অযৌক্তিকতাকে ব্যাখ্যা করে এবং আরও গবেষণা অন্বেষণ করতে পারে বলে মতামত ব্যক্ত করে যে, ১. কিভাবে অনির্বাচিত কাজ একজন নারীকে আরো উৎসর্গ করে দেয়, ২. অন্যান্য কার্যকলাপ, বিশেষ করে সামাজিক প্রবৃত্তি জন্য কিভাবে অবৈতনিক কাজ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা, রাজনৈতিক/নাগরিক/সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ইত্যাদিতে একান্তভাবে নিয়োগ করায় তা সুক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ৩. পুরুষদের এবং নারীদের মোট কাজ আরও সম্পূর্ণরূপে পরীক্ষা করতে পারে - অর্থাৎ, গৃহকর্ম যে অর্থহীন সময়ে ব্যয় করা হয়েছে সে ধারনা সমূলে উৎপাটন করতে বলা হয়েছে। রাজিওয়াই এবং স্ট্যাব ২০০৮; জাতিসংঘের রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর সোসাল ডেভেলপমেন্ট [UNRISD] 2010)।

মোট কথা নীতি নির্ধারকদের এটা আমলে আনা যে গৃহকর্ম অর্থহীন নয়। সুতরাং তা unpaid থাকতে পারে না। গৃহকর্মে নারীর অবস্থান অনস্বীকার্য ছিলো যা সভ্যতার বিবর্তনে স্পষ্ট ভূমিকা রাখে। আর সময়ের সাথে সাথে তার গৃহে অবরুদ্ধ জীবনকে নীতি নির্ধারণ আর শ্রমবাজারের মূল্যায়ন ব্যতীত সামনে আনা অসম্ভব। তাই সরকার আর শ্রমবাজারকে গৃহকর্মের মূল্যায়ন স্বরূপ পৃথক খাত দেখিয়ে পাওনা আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। 


  • ৪৭২ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

রুমানা রশিদ রুমি

রুমানা রশীদ রুমী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ হতে স্নাতক আর স্নাতকোত্তর ড্রিগ্রি নেবার পর মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এম বিএ করেন। বর্তমানে আইন বিজ্ঞানে অধ্যায়নরত। পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সাংবাদিকতাকে। ছিটকে পড়ে যোগ দেন ব্যাংকে। লেখালিখি আর কাটখোট্টা ব্যাংকিং এক সাথে তাল মেলাতে না পেরে বর্তমানে আছেন ‘দি বাংলাদেশ মনিটর’ এর ‘ফিচার রাইটার”হিসেবে। তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ম্যাগাজিন ‘রংঢং’। নিয়মিত লেখেন ‘দি বাংলাদেশ অবজারভারে”। লিখছেন বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায়। কাজ করছেন নারী সম্পদ নিয়ে। ‘শূন্য প্রকাশ’ প্রকাশনী থেকে ২০১৫ সালের ‘একুশে বইমেলায়’ বের হয় তাঁর প্রথম ফিউশন ‘জয়িতা’। পাঠকের উৎসাহে চৈতন্য প্রকাশনী থেকে বের হচ্ছে “এ শহরের দিদিমনি “।

ফেসবুকে আমরা