দিনের শেষে আমার সারাদিনের 'মা দিবস'এর অল্পগল্প।

সোমবার, মে ১৪, ২০১৮ ১২:০২ AM | বিভাগ : সাম্প্রতিক


সকালে নাস্তা খেয়ে আস্তে-ধীরে মাকে ফোন করলাম, অন্য শহরে থাকেন তো, এ কথা-সে কথার পরে বললাম, "আম্মা, আজ মা দিবস"। বললেন,"ওহ, তাই! তুমি আমাকে কী শুভেচ্ছা জানাবে! দিনে দিনে তুমি-ই তো আমার মা হয়ে উঠছো।" এই গেলো মায়ের গল্প।

অতলান্তিক পাড়ি দিয়ে কন্যার লম্বা এক ইলেক্ট্রোনিক চিঠি এলো। ভালোবাসা ছাপিয়ে সেই চিঠির প্রতিটি অক্ষরে বেজে উঠলো মা-মেয়ের পারস্পরিক সাহস আর শক্তি বিনিময়ের গল্প। সেই চিঠির শেষ লাইনে পৌঁছুতে পৌঁছুতে অক্ষর সব ঝাপসা হয়ে গেলো। অকারণ আবেগ! মেয়ের লেখা গল্পচিঠিটা শুধু নিজের জন্য তুলে রাখলাম।

এরপরে পেলাম পুত্রর মা-দিবসীয় এক উপহার। ভালোবাসি মানে সকাল-বিকাল গুনগুনানো নয়, 'ভালোবাসি ভালোবাসি'। ভালোবাসা মানে ভালোবাসার মানুষটিকে বুঝতে পারা আর পড়তে পারার অনুপম ক্ষমতা। আদি আমাকে পড়তে পারে। ও জানে বছরের বিশেষ দু'একটি দিনে আমি কিসে সবচেয়ে খুশি হই... ওর লেখা নতুন ফিকশন পেলে। আজকের লেখাটি-ও সেইরকমই একটি লেখা... আমার ভেতরের বহমান এই সময়কে ও পড়ে নিলো নিখুঁতভাবে। 
এই গল্পটি সবার জন্য...

Home.

She rolled the strange word around on her tongue, trying (and failing) to ignore the tears welling up in her eyes.

Her gaze was locked upon—what was it, her home? It seemed so. The familiar building: an off-white structure facing a neat little lawn. A tree to the side that had been there as long as she could remember. A thin golden path that snaked its way to the front door.

Home.
Was the house always that oddly large? Were the round windows always that perfectly shaped? Was the front door always open so slightly and invitingly? 
Questions she needed answered. Questions she couldn’t get answered.

It was what had housed her childhood. It was what had put a roof over her youth, what had provided the warmth that incubated her growing soul. It was a sanctuary, a safe haven, a place she could go to find her most magical hopes, her brightest dreams. 
And it was about to be gone.

Gone. The chilling word hung in the air.
Why does it have to be gone, Mother?
“You’re a big girl now.”
That answered nothing.

It was a home for her. It was a home for who she was. It was a home for her sweetest memories. It was a haven for her when she came back from school crying after being bullied, being pushed around, being yelled at.

Her home. It had been there for her the darkest of days, the most disheartening of depressions in her life.

Her home. The front door had led her into so much more than what the life outside offered—a life of protection and care and fuzziness and warmth. So very different from the stark coldness that she could only find outside.

Her home. The windows peeked into the dimly lit hallways inside, offering glimpses into the simple but beautiful inside of the house that had raised her.

Her home. That perfect lawn, the perfect flowers, the perfect grass, the perfectly oval pond surrounded by small patches of bush.

Her home. Her sanctuary, her safe haven, her protection, her comfort.

"You’re a big girl now. Time to move on."

With a defeated sigh, she bent down and folded up the plastic 12 inch-by-8 inch dollhouse set, placing it under her arm, and began walking downstairs.


  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

ফেসবুকে আমরা