সুমাইয়া অনন্যা

সুমাইয়া অনন্যা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ অনার্স ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ও এক রিসার্চ ফার্মে অ্যাসিস্ট্যান্ট রিসার্চার হিসেবে কর্মরত।

নারীরা ইমোশনাল, পুরুষেরা র‍্যাশনাল ও আমাদের হাজার বছরের পুরুষতান্ত্রিক চর্চা

মা একটু গলা ভারী করে কিছু বললেই দুই চোখ দিয়ে উপচে পানি পড়তো আর মা বলতো, "এই এক কাহিনী শুরু হইসে, কথার আগেই কান্দা শুরু হয় তার!"

প্রেমে ব্যর্থতা কি রেজাল্ট খারাপ কিংবা পরীক্ষার আগে পছন্দের জ্যামিতি বক্স না পাওয়া সহ হালকা থেকে ভারী সকল না পাওয়াতেই আমি বিছানার এপাশ থেকে ওপাশ করতে করতে কান্তে কান্তে ঘর ফাটাইতাম। 

হ্যা, এগুলোই নারীসুলভ বৈশিষ্ট্য।

কেনো শোনেন নি যে, নারীরা ইমোশনাল আর পুরুষেরা র‍্যাশনাল।(?)

দীর্ঘদিনের একটা সম্পর্ক ভেঙে গেলে দেখা যায় মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বুক ভাসাচ্ছে, হোক সে প্রাপ্তবয়স্ক, অথচ পুরুষটি কাঁদছে না, নিরবে সয়ে যাচ্ছে সব। পুরুষেরা তাদের আবেগ একেবারেই কম প্রকাশ করে কিংবা ছিন্নভাবে প্রকাশ করে। আর নারীরা দেবী, মায়ের জাত তাই তারা নমনীয়, সহনীয়, কোমল, যার কারণে তারা কষ্ট নিতে পারে না। কেঁদেকেটে কিংবা যেভাবেই হোক আবেগ প্রকাশ করা চাই তাদের।

তুমি আমাকে ভালোবাসো না, আমাকে সময় দেও না, আমাকে বোঝো না ইত্যাদি ইত্যাদি হচ্ছে নারীর প্রিয় সংলাপ। যারে অভিমানের ভাষা বলেছেন কবি সাহিত্যিক দাদারা। অন্যদিকে পুরুষকে বেশি বলতে শোনা যায়, "আমি এই বেপারে এখন কথা বলতে চাই না, আচ্ছা আমরা এই বিষয়ে কথা বলাটা এখন বাদ দিতে পারি না? ব্লা ব্লা।

নারী-পুরুষের এই আবেগীয় পার্থক্য নিয়ে ভেবেছেন কখনো?
পুরুষেরা ভাবে নারীরা এতো ন্যাকা ন্যাকা, ছিচ কাঁদুনে কেনো হয়?
অপরদিকে নারীরা ভাবে, পুরুষেরা এতো নিষ্ঠুর কেনো? কেঁদেকেটে একাকার হয়ে যাই আমরা আর তাদের চোখে পানিই আসে না। 

এইগুলা নাকি নারী-পুরুষের মনস্তাত্বিক বৈশিষ্ট্য। ‘সাইকোলজি টুডে’ নামে এক মেডিক্যাল ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী তা-ই বলা হয়েছে যা হইলো

১। কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে আবেগকে প্রাধান্য দেয় না পুরুষরা। কিন্তু নারীরা আনুষঙ্গিক অনেক কিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নেয়।
২। আবেগজড়িত ঘটনার কথা পুরুষদের তুলনায় বেশি মনে করেন নারীরা।
৩। সমস্যার কথা সাধারণত কারোর সঙ্গে আলোচনা না করেই মেটানোর চেষ্টা করে ছেলেরা। কিন্তু, মেয়েরা তা আলোচনা না করতে পারলে বেশি সমস্যায় পড়েন।

১০০ জনের ওপর গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে আসেন তারা কিনা যা খুবই জনপ্রিয়তা, সত্যতা পেয়েছে।

সবার সাথে মিলে যাচ্ছে না সব? সত্যি মনে হচ্ছে না? আমার কাছে তো পুরো বেপারটাই ভাট মনে হয়েছে, এতো হাস্যকর না আজকাল গবেষণার সেক্টরগুলা (মানে বাংলাদেশের :3)

ছোট্ট মাথার অল্প জানা নিয়ে কিংবা জানার ইচ্ছা নিয়েই আমি ঘাটাঘাটি করলাম বিষয়টা। প্রথমেই বলে রাখি এই মন-টন বলে কিছু নাই, সবই মস্তিষ্কের কাজকারবার। তো নারী-পুরুষের এই মস্তিষ্ক নিয়ে বা মস্তিষ্কের পার্থক্য নিয়ে কি বলেছেন হর্তাকর্তা গবেষকেরা, বিজ্ঞানীরা?

জার্মানির ইয়ুলিশ শহরে হেল্মহলৎস গবেষণা কেন্দ্রে ড. সুসানে ভাইস-সহ বিজ্ঞানীদের এক দল মস্তিষ্কের কাঠামো খতিয়ে দেখছেন৷ যুগান্তকারী এক প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে তাঁরা মস্তিষ্কের পাতলা ফালি প্রস্তুত করছেন৷ এভাবে তাঁরা স্নায়ুর গতিপথ ও অন্যান্য কাঠামো তুলে ধরতে চেয়েছেন৷ পুরুষ ও নারীর মস্তিষ্কের মধ্যে একটি পার্থক্য অত্যন্ত স্পষ্ট৷ ড. ভাইস বলেন, ‘‘মস্তিষ্কের আয়তনের পার্থক্য সবচেয়ে স্পষ্ট৷ পুরুষদের মস্তিষ্ক নারীদের তুলনায় বড় হলেও সেটি আরও দ্রুত বা আরও উন্নতভাবে চলে, এমন কোনো প্রমাণ নেই৷''

২০১৩ সালের একটি গবেষণা আরও একটি পার্থক্য খুঁজে পেয়েছিলো৷ মস্তিষ্কের বাম ও ডান অংশের মধ্যে তথ্যের আদানপ্রদান নারীদের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত ঘটে৷ অন্যদিকে পুরুষের মস্তিষ্কের সামনে ও পিছনের অংশের মধ্যে সংযোগ তুলনামূলকভাবে আরও শক্তিশালী৷

এর মাধ্যমে লিঙ্গ অনুযায়ী ক্ষমতার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়৷ তবে সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী দুই লিঙ্গের মস্তিষ্কের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য নেই৷ বরং সবার মস্তিষ্কের মধ্যেই বিভিন্ন অনুপাতে পুরুষ ও নারীর উপাদান রয়েছে৷ ড. সুসানে ভাইস বলেন, ‘‘দুই লিঙ্গের মধ্যে নয়, বরং একই লিঙ্গের মধ্যে বেশি পার্থক্য পাওয়া যায়৷ প্রায়ই দৃষ্টান্ত দেখিয়ে বলা হয়, নারীরা আরও দক্ষভাবে ভাষা শিখতে পারেন বা পুরুষদের ‘স্পেশিয়াল' বা স্থান সংক্রান্ত জ্ঞান বেশি৷ তবে প্রায়ই স্বল্প পরিসরের গবেষণায় এমন সিদ্ধান্ত উঠে আসে৷ মাত্র ২০, ২৫ অথবা ১০০ জনের স্যাম্পল থেকে সার্বিক চিত্র পাওয়া যায় না৷'' (সোর্স-ডিডাব্লিউ অ্যাকাডেমী)

তাহলে আসল ঘটনা কী? হাজার হাজার বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে পুরুষ ও নারীর বোঝার ক্ষমতার পার্থক্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে৷ কিন্তু ফলাফল অনুযায়ী দুই লিঙ্গের মস্তিষ্কের মধ্যে কার্যত কোনো পার্থক্যই নেই৷ অমিলের তুলনায় মিলই অনেক বেশি৷ তাহলে কি আমাদের আচরণের মধ্যে পার্থক্য আমরা জন্মের পর শিক্ষাদীক্ষার মাধ্যমে আয়ত্ত করেছি? উত্তর, হ্যা!

এই বিষয়ে লেখার চেয়ে জানার ইচ্ছাটা আমার বেশি ছিলো। তাই আমি এই বিষয়ে ৫০ জনের সাথে কথা বলেছি, সবাইকে কয়েক স্টেপে সেইম প্রশ্ন করা হয় যাদের মধ্যে পুরুষ ২৫ জন আর নারী ২৫ জন।

নারী-পুরুষ উভয়ের সাথেই কথা বলায় তারা যেমন উত্তর দিলো সেই উত্তরের মূল বাটখারাটাই অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল। আবেগের সাথে অর্থনীতি কেমনে কি না? একটু খুলে বলি। 

ছেলেদের মধ্যে ছোট বেলা থেকেই ভবিষ্যতে তার নিজের কিছু একটা করতে হবে, হবেই এমন একটা চিন্তা রোপণ করে দেয়া হয়। সে যতই কোটিপতির ছেলে হোক, দিনশেষে বাপের ব্যবসা কিংবা জায়গাটা তারই হবে/ দায়িত্ব নিতে হবে এটা তা তাকে বুঝিয়ে ফেলা হয়। এইযে নিজের করতে হবে এইটাই মূলত গোড়া৷ ছোট থেকেই তার মধ্যে দায়িত্ব, কতৃত্ব, নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি বেপার সেপার বাইড়া ওঠে। সে ধীরে ধীরে বড় হওয়ায় বুঝাইতে থাকে/বুঝতে থাকে তার দায়িত্বটাই সে না নিলে পরে বিশাল দায়িত্ব নিবে কিভাবে? সে নিজেকে সামলায়, নিজের সব সামলায় এবং সকল প্রকার আবেগও। তারা যেকোনো কিছু হইলে,  যেকোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাই আবেগটাকে এক সাইডে রেখে আগে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করে। এর মানে যে ছেলেদের আবেগ নাই সেটা না, তারা কেবল নিজের অনুভূতি সব কিছুর মতই নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা শিখে যায়৷ 

তাই যেই ২৫ জন ছেলের সাথে কথা বলেছি, বিশ্বাস করুন কারো ক্ষেত্রে পরিবর্তন পাইনি। সবার কথার সারমর্ম এটাই ছিলো, আবেগ আসবেই তবে সময় নিয়ে সেটা একদিকে রেখে যুক্তি দিয়ে, মাথা ঠান্ডা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। তার মানে এটাই দাঁড়াইলো সাইকোলজি টুডের গবেষণা ভুল না। 

বলে রাখা ভালো, মানব মস্তিষ্কের বাম পাশে যুক্তি আর ডানে পাশে আবেগ নিয়ন্ত্রণ হয়।

এবার আসি মেয়েদের প্রসঙ্গে।  ২৫ জনের সাথে কথা বলার সময়ে এক একজনের ইচ্ছা, আবেগ নিয়ন্ত্রণের ধরণ একেক এক রকম পাইলাম। যা ছেলেদের সবার ক্ষেত্রেই মোটামুটি এক৷ মেয়েদের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতা ঠিক কোত্থেকে আসছে, কারা কি কারণে ভিন্ন সেটার ওপর আমি ৩টা ভাগ করে ফেলি।

১। বাপ-মা, ভাই, জামাইর টাকায় চলা নারী

২। কোনো অভাব নাই, কিচ্ছু নাই বা কোনো প্রয়োজনীয়তা অনুভব ছাড়াই কেবল পড়াশোনা করছে তাই কিছু একটা করতে হবে কিংবা বিবাহের আইডিন্টিটি লাগবে তাই জব করা শৌখিন সেল্ফডিপেন্ড নারী। 

৩। কোথাও ঠেকেছে, ঠেকে শিখেছে, নিজের মেরুদণ্ড নিজের সোজা করতে হবে, আত্মপরিচয় লাগবে সেই ইচ্ছা, স্পৃহা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সেল্ফডিপেন্ড নারী। 

এদের মধ্যে প্রথম দুইয়ের ক্ষেত্রে সাইকোলজি টুডের গবেষণা সত্য। তারা কোনো সমস্যায় পরলে অন্য কারো সাথে শেয়ার করা ছাড়া থাকতে পারে না, সিদ্ধান্তের সময় কাছের মানুষের থেকে ধারণা নেয়া জরুরি কিংবা না পাইলে কান্দাকাটি করে আশাহত করা। কিন্তু তৃতীয় ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষের মতই নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাহলে প্রথম দুই পারে না কেনো? 

মেয়েদের ছোট থিইকা এইভাবেই স্বপ্ন দেখানো হয় বা লালন করা হয় যে একদিন তাকে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে স্বামীর ঘরে। এটাই তার আল্টিমেট গোল। সে চাইলে চাকরি করতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে কিন্তু কোনো চাপ নাই। এই ধ্যান, চিন্তা নিম্নবিত্ত,  মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সব পরিবারেই আরোপিত। নিম্নবিত্তরা মেয়েরে পড়াশোনা শিখায়ে নিজের পায়ে দাঁড়া করানোর চেয়ে বিয়ে দিয়ে পালাইতে পারলে বেঁচে যায় আর বাকি দুই শ্রেণিতে একই কাজ হয় শৌখিন ভাবে। তাই মেয়েরা বুঝে না ,শিখে না যে কীভাবে দায়িত্ব নিতে হয়, নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, কর্তৃত্ব করতে হয়, কারণ পরিবার কিংবা সে নিজেও তার অর্থনীতির ওপর ডিপেন্ডেন্ট না, অন্যের ওপর ডিপেন্ডেন্ট আর এটাই নরমাল। তাকে কখনো ফেইস করতে হয়নি যে পড়াশোনা তো শেষ, এবার সংসারের অর্থনীতির  হাল ধরো, আর কত বাপ মায়ের টাকায় চলবা? নিজে কিছু করো ব্লা ব্লা। একমাত্র এবং প্রধান এই অর্থনৈতিক ডিপেন্ডেসির কারণে হয় সে নিজে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, সাহস হয় না কিংবা একটা সময় পর তার এটাই অভ্যাসে পরিণত হয়। উঁহু!  আমি বানিয়ে বলছি না যারা তাদের ডিপেন্ডেসি নিয়ে বলেছে তারাই প্রশ্নে প্রশ্নে তাদের এই না পারার উত্তর বের করেছে। 

অন্যের ওপর নির্ভর থেকে, থাকতে থাকতে তারা এটাও বিশ্বাস করে এই "অন্য" ই সব। নিজের বলতে কিছু নাই, তারা নিজেদের জানে না, বুঝে না যেখানে সেখানে, কোথায় কতটুকু আবেগ দেখানো সুন্দর, কোথায় বেশি বেশি হয়ে যাওয়া…এইগুলা তারা বুঝবে কেমনে? 

অপরদিকে, তৃতীয় ক্ষেত্রের নারীরা হয়তো এমন কিছুর সম্মুখীন হয়েছে যা তার নিজের মধ্যে আত্ম বোধ সৃষ্টি করেছে, নয়তো স্রোতে ভেসে যাওয়া পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন পরিবারে বড় হয়েছে, যেখানে সে বুঝেছে, শিখেছে যে বড় হয়ে তাকেও পরিবারের হাল ধরতে হবে, নিজের হাল নিজে ধরতে হবে। তাই তারা তাদের এসব আবেগীয় জায়গারও হাল অন্যকে না দিয়ে নিজেই ধরতে পারে, সুন্দরভাবে সামলাতে পারে। 

এইবার ভেবে পাইলেন যে কেনো মেয়েরা ইমোশনাল আর কেনো পুরুষেরা র‍্যাশনাল? সাইকোলজি টুডের গবেষণা মিথ্যা না, মিথ্যা ওইটা সামান্য এই গবেষণাটাকেই তারা যখন চিরন্তন সত্য হিসেবে, পজেটিভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে যে এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক যাতে করে এইসব বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল পাওয়া নারীরা যেমন গদগদ হবে খুশিতে, তেমনিই  পুরুষেরা টেবিলে এক ধাক্কা মেরে বলবে, আরেহ শালা! যা বলছিলাম তাই-ই! মেয়েরা আজন্ম ইমোশনাল দুনিয়ার!

তাই এতো লেখা, কেননা যখন দেখলাম এই মেয়ে হয়ে উঠার এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে আমার কিছুই মিলছে না, ওমা তাইলে আমি মেয়ে না? শুরুতে বলেছিলাম, আমি ছিঁচ কাঁদুনে যা ছিলাম, এখন নেই৷ বড় হয়ে গিয়েছি কিনা খুব জানি না, তবে জানি আবেগ আমার কাছে একটা শিল্প আর শিল্পের কদর যারা বোঝে না সেখানে তাদের কাছে তা প্রকাশ করতে নেই।

মোদ্দাকথা, মানবশিশুর মস্তিষ্ক কাদার মতন। আস্তে আস্তে সময়ের সাথে সাথে তা পুড়ে শক্ত হইতে থাকে। তাই কর্দমাক্ত অবস্থায় এরে যেই ছাঁচে ফেলবেন, পুড়ে পুড়ে সেটা সেই ছাঁচের আকারই ধারণ করবে। তাই এই সময়টায় অন্তত আমরা যারা জানি তাদের উচিৎ, পরিবারের উচিৎ শিশুর মস্তিষ্কের ছাঁচটা সুন্দর হইতে, করতে সহায়তা করা। 

আরেকটা শেষ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা, মেন্টাল হেলথ ম্যাটারস। তাই নারী মানেই যে ছিঁচ কাঁদুনে হওয়ার কিছু নেই তেমনই পুরুষ মানেই শক্ত পোক্ত আবেগহীন হওয়ার কিছু নেই। নিজের কমফোর্ট  জোনে সবাই সকল খোলসের বাইরে থাকুন, নিজের মতো থাকুন, মনের কথা প্রকাশ করে হালকা থাকুন।

নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

950 times read

নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।