লুতফুন নাহার লতা

অভিনেত্রী ও লেখক

নারীই সভ্যতার মূল নির্মাতা

২০১৯ এর শেষ ভাগ থেকে আজো সারাবিশ্ব জুড়ে একটি ভয়াবহ মহামারি পার হচ্ছি আমরা। জাতিসংঘের নির্ধারিত এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২১ এর প্রতিপাদ্য হলো নারীর নেতৃত্ব এবং এই কোভিড-১৯ আক্রান্ত বিশ্বে একটি সমতা গড়ে তোলা। মূলত এই দিনটি উদযাপন করা হয় নারীর সামাজিক রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অর্জন ও অবস্থানের স্বীকৃতি হিসেবে। মানুষ হিসেবে পুরুষের সাথে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় এইদিনের তাৎপর্য অপরিসীম। দিনটিকে ইংরেজিতে ‘International Women's Day’ এবং সংক্ষেপে IWD বলা হয়।

বিশ্বে নারী দিবস পালন হয়ে আসছে ১৯০০ শতকের শুরু থেকেই। ১৯০৯ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে প্রথম এই দিনটি উদযাপন শুরু হয়। ১৯১০সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল উইমেন কনফারেন্স থেকে আমেরিকান সোস্যালিস্ট, জার্মান সোস্যলিস্ট গ্রুপসহ লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্কের  অগণিত মানুষের জোর দাবীর প্রেক্ষিতে একটি দিনকে ‘ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস ডে’ হিসেবে নির্ধারন করার কথা বলা হয়। ১৯১৪ সালে প্রথমবারের মতো ৮ই মার্চ, 'ইন্টারন্যাশনাল ওমেন্স ডে' পালিত হয়। ধরে নেয়া হয় যে দিনটি রবিবার ছিলো বলেই ঐ দিনটিকে বেছে নেয়া হয়েছিলো।

১৯১৭ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার পেত্রোগ্রাদে মহিলা টেকস্টাইল কর্মীরা ‘ব্রেড এন্ড পিস’ এর জন্যে প্রতিবাদ আন্দোলন করে এবং নারীর ভোটের অধিকার আদায় করে নেয়। প্রকৃতপক্ষে এই আন্দোলনের ভেতর দিয়েই রুশ বিপ্লবেরও সূচনা হয়েছিলো।

অধিকার আদায়ের এই সাফল্যের পরে, ‘নারীর অধিকার আদায়ের মাইলফলক’ হিসেবে ৮ই মার্চ এর সম্মানে সেদেশে জাতীয় ছুটি পালন ও উদযাপন করা শুরু হয়। নারীর ভোটের অধিকার, কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকের প্রতি বৈষম্যহীন সম-মজুরী, সরকারী বা পাবলিক অফিসে নারী কর্মীর অন্তর্ভুক্তি এসকল দাবীর প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ সভা হতে থাকে। কেবল মাত্র অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান এম্পায়ারেই তিনশতেরও বেশী প্রতিবাদ সভা হয়েছে। ভিয়েনাতেও বিশাল প্রতিবাদ, মিছিল,  ব্যানার বহন, গনসংযোগ ইত্যাদি করেছে জনগণ।

১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ এই দিনটিকে উদযাপন করতে শুরু করলেও ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে আমন্ত্রণ জানান হয় ৮ই মার্চকে নারীর অধিকার ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ দিবস হিসেবে ঘোষণা দেবার। সেই থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হয়ে ওঠে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আপন অধিকার নিয়ে মুক্ত ভাবে পৃথিবীর বুকে নারীর টিকে থাকার এক সনদ। আর সেকারণেই বিশেষ ভাবে এই দিনটিকে উপস্থাপন করা হয়,

এক- গন সচেতনতা দিবস বা Civil awareness day

দুই- নারী ও কন্যা দিবস বা Women and girls day

তিন- লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী দিবস বা Anti-sexism day

চার- বৈষম্য বিরোধী দিবস বা Anti-Discrimination Day হিসেবে।

সারা পৃথিবীতেই দিনটি পালিত হয় শিল্প, সাহিত্য, সঙ্গীত, উপস্থাপনা, পরিবেশনার ভিতর দিয়ে নারীর অধিকার আদায়ের দাবী, ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতন অবস্থান নেয়ার প্রত্যয়ে। সমবেত র‍্যালি, ব্যানার , প্লাকার্ড ফেস্টুন, নিয়ে পথ পরিক্রমা, কনফারেন্স, নেটওয়ার্কিং, প্রবন্ধপাঠ, বক্তৃতা এসবের ভেতর দিয়ে বিশ্বব্যাপী সকল নারীর সাথে একটি যোগসূত্র স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে। এই বছর ২০২১ এর কোভিড আক্রান্ত বিশ্বে ৮ই মার্চ পালিত হয়েছে বিশ্বব্যাপী বিছানো অন্তর্জালের মাধ্যমে।

১৯০৮ সালে ইউনাইটেড কিংডমের Women's Social and Political Union (WSPU) নারী দিবসের রঙ নির্ধারন করে বেগুনী, সাদা এবং সবুজ। বেগুনী রঙের অর্থ সুবিচার ও মর্যাদা।  

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের কথা বলতে গিয়ে যখন তাকাই নিজের দিকে, আমার রঙ, চেহারা, শারীরিক গড়ন, খাদ্য, পোশাক আর ভাষা আমাকে নিয়ে যায় স্বদেশে। বাংলাদেশে। যেখানে আমার হাজার বছরের শেকড়ের ইতিহাস। আমার বংশের কোথাও কেউ ইরান, ইরাক, আফগানি্সতান, উজবেকিস্তান, কাজাকিস্তান,বা পাকিস্তান থেকে আসা নয়। আমি এসেছি এই বাংলার পলিমাটি ছুঁয়ে বেড়ে ওঠা মেটে মেটে রঙের দরিদ্র, নিম্নবর্ণের কামার, কুমোর, জেলে বা নমশূদ্রের রক্তস্রোত বয়ে। আমি বাঙালি। আমার রয়েছে কোমরে কাস্তে গোঁজা তেজ, বীরত্ব ও প্রতিবাদী স্বত্বা। আমি মানুষ, আমি নারী, এই আমার অহংকার।

আমাদের ভুখন্ডে সেই ১৩০০ শতকে সুলতানা রাজিয়া এক ঐতিহাসিক অবদান রাখেন নারীর নেতৃত্বে এবং ক্ষমতায়নে। ১৭০০ শতকে ও ১৮০০ শতকে রাজা রাম মোহন রায়, ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রুখে দাঁড়ান সমাজে নারীর প্রতি অন্যায় নিয়মের বিরুদ্ধে। বন্ধ করেন সতীদাহ প্রথা। প্রচলন করেন বিধবা বিবাহ ও নারী শিক্ষার। সেই থেকেই মূলত শুরু হয় নারী জাগরণের লড়াই। এরপরে বাংলা ভাষাভাষী নারীরা যারা নারীর মুক্তির জন্যে তাদের মেধা, মনন, প্রজ্ঞা ও প্রত্যয় বাংলাদেশের নারীর মাথা উঁচু করে মানুষ হিসেবে চলার মন্ত্র যুগিয়েছে। তাদের অক্লান্ত শ্রম, নারীর জীবনের সামাজিক অর্থনৈতিক  ও রাজনৈতিক পরিবর্তনাকাঙ্খা, নারীর শিক্ষা ও নেতৃত্ব নিয়ে সোচ্চার আন্দোলনই আমাদের আজকের এই নারীমুক্তির ভাবনাকে করেছে সচেতন।

খনা, চন্দ্রাবতী, প্রীতিলতা, আশালতা, কামিনী রায়, লীলা নাগ, বেগম রোকেয়া, বেগম সুফিয়া কামাল, ডঃ নীলিমা ইব্রাহীম,  ডঃ জোহরা কাজী, ইলা মিত্র, জাহানারা ইমাম, নভেরা আহমেদ, বদরুন নেসা আহমেদ, মেরিনা তাবাসসুম, কল্পনা চাকমা, নিশাত মজুমদার, নাঈমা, তামান্না লুতফি, মাবিয়া আক্তার সকলেই তাঁরা স্ব স্ব জায়গা থেকে গৌরবের সাথে বাঙালী নারীর মুক্তির দুয়ার খুলেছেন।

বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিলো সকল বৈষম্যের অবসানের লক্ষ্যে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথা উঁচু করে চলার আকাংক্ষায়। শিক্ষা, বাসস্থান, চাকরি, সামাজিক অবস্থান, চলায়, বলায়, জীবনযাপনে কি নারী, কি পুরুষ সকলের থাকবে সমান অধিকার, সেই আশায়। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ সমাজের একটি বিশেষ অংশ সরে দাঁড়িয়েছে সেই আশা ও স্বপ্ন, সেই প্রতিজ্ঞা ও প্রত্যয় থেকে।

প্রতিদিন নারীর উপরে চলছে অমানবিক আচরণ। নির্মম হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, অপমান, সীমাহীন অসহিষ্ণুতা, মানসিক অত্যাচার। চলছে রাস্তায়, বাসে, ট্রেনে, স্কুলে ,কলেজে, অফিসে, আদালতে সর্বত্র যৌন হয়রানি। চলছে ইভ টিজিং। এই সকল আচরণ অকল্পনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। নারীর প্রতি যৌন হয়রানি, বিনা অনুমতিতে তাকে স্পর্শ করা, অপমান করা, বুলিং বা ইভ টিজিং করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আজ এই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূর্য যখন বাংলাদেশের বুকেও আলো ছড়িয়ে দিয়েছে সেই আলোতে কিছু অন্ধকার, কিছু কলঙ্কের কালী, কিছু অপমান কিছু নির্লজ্জতা দেখে অবশ্যই মাথা হেট হয়।

বাংলাদেশে নারীর প্রতি অন্যায়, অসমতা, সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন, ও নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা নিত্যদিন ঘটে চলেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে যায় পাহাড়ের নিরপরাধ মেয়েদেরকে, বিচার হয় না।  ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয় বিচার হয় না। হুজুরের হাতে মসজিদে আরবী পড়তে আসা অপরিণত শিশুকন্যাকে রেপ করতে না পেরে হত্যা করা হয়, বিচার হয় না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা রুমানা মঞ্জুরের স্বামীর নির্যাতনে তার চোখ উপড়ে নেবার কথা আমরা জানি। এমনি করে পীরের হাতে, পেয়াদার হাতে, মাদ্রাসাতে, গৃহকর্মে কোথাও নারী ও কন্যা সন্তান নিরাপদ নেই। সারা বাংলাদেশ ছেয়ে গেছে দিহানের মতো বিকৃত ধর্ষনকারী তরুণে, যাদের হাতে প্রতিনিয়ত ধর্ষিত হচ্ছে শত শত আনুশকা। সত্যি বলতে কি বাংলাদেশে প্রতিটি মেয়ের জন্যে সকাল আসে এক অনিশ্চিত দিনের উৎকন্ঠা নিয়ে। ঘর থেকে বের হওয়া থেকে পুনরায় ঘরে ফেরা পর্যন্ত চলতে থাকে এই উৎকণ্ঠা।

তবে কি সকল পুরুষের উপরেই বিশ্বাস হারাবে নারী! আমি তা মনে করি না। নারীর প্রতি পুরুষের যদি থাকে সত্যিকারের শ্রদ্ধা, নারীর অধিকার যদি কেউ গায়ের জোরে অন্যায় ভাবে খর্ব না করে, পুরুষ যদি সত্যিকারের 'মানুষ' হয় 'সভ্য' হয় নারীকে মানুষ হিসেবে, নারীকে সম-মর্যাদায় দেখতে অভ্যস্ত হয় তবে নারীর চলার পথ ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামটি আরো দৃঢ হয়!

পুরুষকে কিন্তু এই লড়াইটা করতে হয় না। কেনো? কারণ নারীরা পুরুষের অধিকারের পথে অন্তরায় হয় না। তাঁরা মানুষ হিসেবে অনেক উন্নত। সভ্যতায়, সম্মানে, প্রজ্ঞায়, স্বাধীন চেতনায়, দয়া ও ন্যায় বিচারে নারীর অবস্থান পুরুষের তুলনায় অনেক উপরে। সভ্য নারীর মতো পুরুষেরাও সভ্য হবে সেটাই আমাদের কাম্য।

যে সব পুরুষ তাদের জননী, ভগ্নী, বনধু, স্ত্রী, ও কন্যা সন্তানদেরকে দিয়েছে মানুষ হিসেবে মর্যাদা, স্ত্রীকে দিয়েছে সম্মান ও শ্রদ্ধা, অনেক ক্ষেত্রেই এই সব মহৎ পুরুষের প্রেরণা নারীর জীবনকে আলোকিত হতে সাহায্য করেছে যদিও প্রয়োজনের তুলনায় তাদের সংখ্যা খুবই কম তবু তাদের সহযোগিতা নারীর সমতার অধিকারের লড়াইকে কিছুটা হলেও সহজ করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।

আবার হাজার হাজার বছর ধরে ভয়াবহ যে পুরুষতন্ত্র তৈরি হয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে দেশে দেশে কালে কালে প্রথা বা নিয়মের নামে, ধর্মের নামে নারীকে নানাভাবে করা হয়েছে পদদলিত, সেই অচলায়তন ভাঙাও খুব সহজ নয়।

বিবেচনাহীন, নির্মম পুরুষ ও নারী এই দুই-ই নারী স্বাধীনতার বা নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে ভয়ংকর বাঁধা।  তাই লড়াইটা শুধু ঢালাও ভাবে পুরুষের সাথেই নয় কিছুটা সেইসব নারীর সাথেও, সমাজ ব্যবস্থার সাথে ধর্মের অন্ধকার দিকের সাথেও। যুগ যুগ ধরে এরাই গড়েছে পুরুষ শাসিত সমাজ আর সেই ভন্ড সমাজের সকল অন্যায় অনিয়ম ভেঙ্গে  আশা করি আমাদের আসে পাশের সবাই, পুরুষ নারীর বিভেদ না করে সকল মানুষকে মানুষ বলেই শ্রদ্ধাবনত থাকবেন।

বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, অসংখ্য মন্ত্রী ও সাংসদ নারী।  সেইদেশে নারীর অবমাননা মেনে নেয়া অবশ্যই কষ্টসাধ্য। বাংলাদেশের আইন প্রণেতাদের কাছে আজ একটি বড় দাবি জানাই, নারীকে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে একটি কঠোর আইন প্রণয়ন করুন, এবং অবশ্যই নারীর প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করুন। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তির বিধান করুন। ধর্ষণকারীর জাতীয় পরিচয় পত্রে লেখা হোক সে একজন রেপিস্ট, একজন ধর্ষণকারী।  

সারাবিশ্বের অনুন্নত দেশ সমূহের সকল নারীর জীবনে আসুক মুক্তি। আসুক স্বাধীনতা। নারী একজন গর্বিত মানুষ। এই হোক তার পরিচয়। বাংলাদেশ তাঁর সকল সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসুক নারী মুক্তির পথিকৃৎ হয়ে।

আমি অত্যন্ত দৃঢ ভাবে বিশ্বাস করি নারী নিজেই নিজের স্থপতি। নারী তা নয়, যা এই ঘুনে ধরা অন্ধ সমাজ তাকে বানিয়েছে। নারী তাই, যা সে নিজেই গড়েছে আর নিজেকে গড়েছে এক অনন্য উচ্চতায়। জ্ঞান, সততা, সাহসিকতা, নিষ্ঠা, বুদ্ধিমত্তা, শক্তি ও দক্ষতার এক অপূর্ব সম্মিলন নারী। আজকের এই নিদারুন বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থায় পাশের মানুষটিকে মানুষ হিসেবে দে্খুক সবাই। আলাদা ভাবে স্মরণ করুক তার অবদান। জানুক সবাই নারীই সভ্যতার মূল নির্মাতা। জয় হোক পৃথিবীর সকল নারীর।

807 times read

নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।