চলছে ধর্ষণের মহোৎসব: আমাদের করণীয় কী?

শনিবার, মে ৪, ২০১৯ ৮:১৮ PM | বিভাগ : সমাজ/গবেষণা


ধর্ষণ বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত অপরাধ। নারী, শিশু, কিশোরী, বৃদ্ধা- কেউই এদেশে নিরাপদ নয়। বেসরকারি সংগঠন ‘মানুষের জন্য' ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিদিন গড়ে ৩ জন ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকেন বাংলাদেশে। অর্থাৎ, সকালে যখন স্কুল/কলেজ/অফিসে বের হবেন, তখন আপনাকে ধর্ষণের মতো একটি অনাকাঙ্খিত ভয়ংকর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হতে পারে বা আপনি হতে পারেন এই ৩ জনের একজন- এই আশঙ্কাটিও সঙ্গে নিয়ে বের হতে হচ্ছে। ধর্ষণের এই মহোৎসবে যখন আমরা কেউই নিরাপদ না, তখন  অপ্রিয় সত্য তো এটাই যে, আমাদের ধর্ষণের মুখোমুখি হবার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ভূমিকায় সময় নষ্ট না করে আমরা আলোচনায় চলে যাবো। তবে শুরুর করার আগে একটি কথা বলে নেওয়া দরকার। এই লেখাটি আমি যেহেতু চার দেয়ালে ঘেরা নিরাপদ একটি ঘরে বসে লিখছি আর আমি আগে কখনও ধর্ষণের শিকারও হইনি- তাই আমি মনে করি লেখাটি সত্যিকার ধর্ষণের শিকার নারীর মানসিক অবস্থাকে ঠিকভাবে বর্ণনা করতে পারবে না।

প্রথমত, সম্পুর্ণ প্রস্তুতিকে আমরা ৩টি পর্বে ভাগ করতে পারি (দুর্যোগের মতো, ধর্ষণ দুর্যোগ থেকে কমই বা কিসে? বরং বেশি নয় কি?)। 

ধর্ষণপূর্ব সময়ের প্রস্তুতি:

আপনি যদি নারী হোন, জন্মগতভাবে আপনারও যদি একটি যোনী থাকে, তাহলে এই মুহূর্তে যেখান থেকেই এই লেখা পড়ুন কেনো, ধরে নিন আপনি যে কোনো সময় আপনি ধর্ষণের মতো ভয়ংকর সহিংসতার শিকার হতে  পারেন, এমনকি লেখাটি পড়া শেষ হবার আগেও। ধর্ষণ সকল নারীর কাছেই একটা আতঙ্কের নাম। তবে ধর্ষণকে নারীরা যতটা শারীরিকির ক্ষতির কারণে ভয় করে, তারচেয়ে বেশি সামাজিক মর্যাদাক্ষুন্ন হওয়া, ধর্ষিতার প্রতি আমাদের নোংরা আক্রমণেরর কারণে। শারীরিক ক্ষতি হয়তো কৌশলে কিছুটা কমিয়ে আনতে পারবো, কিন্তু প্রথমেই যেটি প্রয়োজন, তা হল আপনার মানসিক শক্তি বাড়াতে হবে। আপনার নিজেকে বোঝাতে হবে যে, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ইন্টারকোর্স কোন যুক্তিতেই আপনার সম্মানহানির কারণ হতে পারে না। সম্মান নারীদের যোনীতে থাকে না, সম্মান থাকে ব্যক্তিত্বে, কর্মে আর সততায়। যে সমাজ “অপরাধ যার, লজ্জ্বা তার”- এই নীতিতে আস্থা রাখে না আর লজ্জ্বিত হবার বদলে উল্টো ভিক্টিমের প্রতি নোংরা আক্রমণ ছুঁড়ে দেয় এই মানসিকতা থেকে যে, “এভ্রিথিং ইজ ফেয়ার ইন আওয়ার প্লানেট, ওনলি দ্য ভিক্টিমস আর রেসপন্সিবল”- সেই সমাজের ধার হয়তো না ধারলেও চলবে আমাদের। এরপর আপনাকে প্রস্তুতির জন্য যা যা করতে হবে:

১. আপনার ফোনে/নোটবুকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু/অবিভাবক যাকে আপনি কোনো প্রকার সঙ্কোচ ছাড়াই সব কিছু বলতে পারবেন, এমনকি ধর্ষণের ঘটনাটিও, তার ফোন নাম্বার, নিজ থানার একজন পুলিশ অফিসারের ফোন নাম্বার, একজন আইনজীবীর ফোন নাম্বার সেভ করে রাখুন। তাছাড়া “নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হটলাইন-১০৯ ও জয়-এ্যাপসটি” ইন্সটল করে রাখুন। সম্ভব হলে পুলিশ ও আইনজীবীর সাথে পরিচিত হয়ে থাকুন।

২. সরকার সারাদেশে মোট আটটি বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে “ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার” চালু করেছে, যা ধর্ষণ ও অন্যান্য সহিংসতার শিকার নারীদের আইনী সেবা, শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা, নিরাপত্তা এমকি পুর্নবাসন সেবা দিচ্ছে। এসব সেলসমুহ বিভাগীয় পর্যায়ে অবস্থিত হওয়ায় অধিক সংখ্যক নারী ও শিশু এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে –বিষয়টি মাথায় রেখে জেলা সদর হাসপাতালে ৪০ টি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে ২০ টি সেল সহ মোট ৬০ টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনার এলকায় সেবাটি চালু আছে কিনা আজই জেনে নিন। যদি না থাকে, আপনি যদি সচেতন মানুষ হন, রাস্তায় একটি প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে হলেও আপনার এলাকায় সেবাটি চালু করার দাবি জানান। পরবর্তি শিকার তো আপনিও হতে পারেন? কে জানে?

৩. ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেলের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থাও  নির্যাতিত নারীদের আইনী সহায়তাসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করে থাকে (যেমন-বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ইত্যাদি)। কোন একটি সংস্থার ফোন নাম্বার/ ঠিকানা সংগ্রহ করে রাখুন। সংস্থাগুলো আপনাকে চিকিৎসা ও বিচার পেতে সাহায্য করবে।

৪. আত্মরক্ষার জন্য  শার্পনার, মরিচের গুড়ো কিংবা একটি সেফটিপিন হলেও সাথে রাখুন।

৫. ধর্ষণ পরবর্তী “ডাক্তারি পরীক্ষায় “টু ফিঙ্গার টেস্ট” যা মূলত ভিক্টিমের ভার্জিনিটি পরীক্ষায় দীর্ঘদিন ব্যবহার হয়ে আসছিলো, (যেহেতু নারীকে চরিত্রহীন প্রমাণ করতে পারলে, ধর্ষকের সাজা অর্ধেক মৌকুফ হয়েই যায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে) তা গতবছরই হাইকোর্টে নিষিদ্ধ হয়েছে এবং পরিক্ষা কিংবা জবানবন্দির সময় পুরুষ ডাক্তার কিংবা পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকতে পারবে না – এটির ব্যাপারেও এবছর আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাই আপনি ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ কিংবা পুরুষ ডাক্তার/পুলিশ অ্যালাও করতে বাধ্য নন। এমনকি পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিতে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক কোনো প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার সম্পুর্ণ অধিকারও আপনার আছে।

ধর্ষণকালীন সময়ে করণীয়:

১. আক্রমণকারী যদি ২/১ জন হয়, তাদের কাছে কোন আগ্রেয়াস্ত্র/ ধারালো অস্ত্র নেই নিশ্চিত হতে পারেন, তবুও সরাসরি সংঘর্ষে না গিয়ে টেকনিক্যালি নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করুন। কাছে থাকা শার্পনার/ পিপার স্প্রে/ মরিচের গুড়া/ এমনকি সেপটিপিনও কাজে আসতে পারে যদি কৌশলী হন। আপনি যদি মার্শাল আর্ট জানেন, তবে কাজটা অনেকটা সহজ হয়। যদি নাও জানেন, অবশ্যই মানব শরীরের দুর্বলতম জায়গাগুলো (জয়েন্ট, চোখ, নাক, দু পায়ের মাঝের অংশ) আপনার টার্গেট হওয়া উচিৎ। সবচেয়ে কম সময়ে রক্ষা পাওয়ার উপায় হচ্ছে গ্রোয়িনে (পুরুষাঙ্গ) অ্যাটাক করা। যথা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রাখুন। আগেই চিৎকার চেঁচামেচি/ এলোপাথারি কিল-ঘুষি মারা থাকে বিরত থাকুন। মাথায় রাখুন, জয়লাভের জন্য শক্তিশালী হবার চেয়ে কৌশলী হওয়া জরুরি। অ্যাটাক করার সাথে সাথে চিৎকার করা শুরু করবেন। আত্মরক্ষার জন্য যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবেন না (এমনকি হতে পারে সেটা খুন) বাংলাদেশের আত্মরক্ষা আইন আপনার পক্ষে থাকবে।

২. যদি আপনার সিক্সথ সেন্স বলে, ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টায় আপনার প্রাণনাশ হতে পারে কিংবা রক্ষা পাওয়ার আদৌ কোন পথ নেই (বিশেষ করে ‘গ্যাং রেইপের’ ক্ষেত্রে) তবে মনে রাখবেন, আপনার সাথে কী হতে চলেছে, কী হচ্ছে কিংবা সেই সময়টির পর আপনাকে সমাজ কিভাবে গ্রহণ করবে- এ সবকিছুর আগে আপনার ‘প্রাণটি’ মূল্যবান। ধর্ষণ যেখানে অপরিহার্য, কৌশলে প্রাণ বাঁচিয়ে অপরাধীর শাস্তি আদায়ই সেখানে কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। যদি অগত্যা কোনোভাবেই নিজেকে রক্ষা করতে না পারেন, তাহলে যতোটা পারেন, কো-অপারেট করুন, তাতে আপনার প্রাণ তো বাঁচবেই  শারীরিক ক্ষতির হাত থেকেও কিছুটা বাঁচতে পারবেন। মাথায় রাখুন, যেভাবেই হোক আপনাকে থানা কিংবা পুলিশ অবধি যেতে হবে। আপনার মুখনিঃসৃত কোন শব্দ বা আচরণ যেনো অপরাধীকে আরও বেশি সহিংস হতে ইন্ধন না যোগায়।

৩. ধর্ষক যদি আগে থেকেই ধর্ষণে অভ্যস্থ হয়, তবে ধর্ষণেরর সময় প্রোটেকশন নেওয়ার সম্ভবনাই বেশি। অর্থাৎ ধর্ষণ প্রমাণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ে’ প্রয়োজনীয় ‘বীর্য/সিমেন’ লস করে বসে আছেন। এমনটা হলে আপনাকে যেটি করতে হবে, তা হল ধর্ষকের চুল ছেঁড়ার চেষ্টা হবে ১টি হলেও, আরও নিশ্চিত হতে ‘হাতের নখ' ব্যবহার করে এমনভাবে আঁচড়ে দিতে হবে, যেনো রক্তপাত হয়। এই চুল/ আপনার নখে থাকা রক্ত/রক্তরস/স্কিনকোষ থেকে ডিএনএ আইডেন্টিফাই করা সম্ভব।

ধর্ষণ পরবর্তী সময়ে করণীয়:

১. সর্বপ্রথম ধর্ষণের ঘটনাটি নির্ভরযোগ্য কাউকে জানান যিনি আপনাকে মানসিক সাহস দিতে পারবেন এবং যাকে সাক্ষী হিসেবে কাজে লাগানো যায়। তিনি আত্মীয়,বন্ধু, পুলিশ কিংবা চিকিৎসকও হতে পারেন। 

২. ধর্ষণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে, তবে ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলে একেবারেই আশা ছেড়ে দিবেন এমন নয়। ৭২ ঘন্টার মধ্যে পরীক্ষা করালেও কিছু আলামত পাওয়া যায়। তবে কোনোভাবেই খাওয়া-দাওয়া, ধূমপান কিংবা গোসল করা যাবে না। তাতে বেশিরভাগ শারীরিক আলামত নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি গায়ের কাপড়ও পরিষ্কার করা যাবে না। কাপড়গুলো পলিথিনে রাখা যাবে না বরং সেগুলো কাগজের ব্যাগে বা কাগজে মুড়িয়ে থানায় নিয়ে যেতে হবে।

৩. সবচেয়ে দ্রুত যে কাজটি করতে হবে তা হলো নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করে অভিযোগ জানাতে হবে। অভিযোগ যে কেউ করতে পারেন- ধর্ষিতা, প্রত্যক্ষ সাক্ষী কিংবা নিকটাত্মীয়। যেহেতু আপনিই ধর্ষণের মামলার প্রধান সাক্ষী, আপনার জবানবন্দি পুলিশকে গ্রহণ করতে হবে। তবে কোনো ধরণের অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দিতে আপনি বাধ্য নন।

৪. অনেকেই ভেবে থাকেন ডাক্তারি পরীক্ষা বা চিকিৎসা অনেক খরচের ব্যাপার। কিন্তু সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হবে এবং তা বিনামূল্যে দিতে হবে। পরবর্তী চিকিৎসাও সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হবে।

৫. স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০০২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জারিকৃত পরিপত্রে, ‘পুলিশের রেফারেন্স ছাড়াও ধর্ষণ শিকার কোনো নারী ও শিশু যে কোনো সরকারী স্থাপনায় কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোনো বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে যথানিয়মে পরীক্ষা করবেন এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও নিকটস্থ থানায় প্রেরণ করাসহ, যাকে পরীক্ষা করবেন তাকেও ১ কপি প্রদান করারর আদেশ জারি করেছে। তাই আপনি ডাক্তারি পরীক্ষার পরও হাসপাতালে যেতে পারেন, যদি আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করেন।

৬. মামলা করার পর সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টায় গুরুত্বারোপ করতে হবে, সেটি হচ্ছে আপনার নিরাপত্তা, এক্ষেত্রে আপনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে পারেন। যদি শারীরিক/ মানসিক ক্ষতি এমনকি নিরাপত্তার অভাববোধ করেন, তবে আপনি ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে' সুস্থ্য  হওয়া অবধি অবস্থান করুন। সেখানে আপনাকে কোন চার্জ দিতে হবে না, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা পেতে পারেন।

৭. সবশেষে যেটি আপনাকে করতে হবে তা হলো, একা থাকা যাবে না। মাসে অন্তত একবার কাউন্সেলিং করাতে হবে (যেটা নিকটস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ফ্রিতেও পেতে পারেন। আমাদের বিচারব্যবস্থা যেহেতু ধীরগতিতে কাজ করে, তাই আপনার নিয়মিত জীবন যাপনে মনযোগী হোন, কখনও নিজেকে অপরাধী ভাববেন না, প্রয়োজনে নেগেটিভ মানুষজন থেকে দূরে থাকুন।

আপাততো ধর্ষণ সম্পর্কিত সচেতনতা পর্যন্ত থাক। সরকার যেটুকু সেবা নিশ্চিত করতে পেরেছে, তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা যাক। লেখাটির পরের অংশে আমরা দেখবো বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা, ফরেন্সিক ল্যাব কিংবা ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার কতটুকু কার্যকর? কতটুকু সাফিসিয়েন্ট? লিমিটেশনস কী কী এবং ধর্ষণের মতো অপরাধ মোকাবেলায় আমাদের আরও কী কী ধরণের ব্যবস্থা/প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন।


  • ৪৭১ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

নওরীন পল্লবী

নারীবাদী লেখক।

ফেসবুকে আমরা