পাঠক হিসেবে ফাহমিদা জামান ফ্লোরা'র লেখা নিয়ে আমার ভাবনাগুলো

মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০১৯ ১২:৩৯ AM | বিভাগ : প্রতিক্রিয়া


"নারীরা তাদের অপমানকারী, অত্যাচারকারীর বুকে তেল মালিশ করে, তাদের লিংগ অমৃতন্যায় চোষে।"
 
________হ্যাঁ। তারা পুরুষতান্ত্রিক ষড়যন্ত্রের শিকার। সামাজিকীকরণেরর মাধ্যমে যেমন একজন পুরুষ পুরুষতান্ত্রিক হয়, একজন নারীও পুরুষতান্ত্রিক হয়ে ওঠে। পুরুষের সকল অত্যাচার সয়ে তেল মালিশের উপযোগী করে তোলে নিজেকে। এবং এরাই মেজরিটি। আপনি আমি দু/চার জন মেধা খাটিয়ে কিংবা কারো হাত ধরে বিকশিত হবার সুযোগ পেয়েছি, তারা তা পায়নি। আমরা  তাদের সচেতন করার চেষ্টা করতে পারি, তা না পারলে সমবেদনা জানাতে পারি। ছোটো করতে পারি না। আমাদের লড়াই হওয়া উচিত পুরুষতান্ত্রিক সিস্টেমের বিরুদ্ধে, যে সিস্টেম পুরুষ কে ডোমিনেটিং করে গড়ে তোলে আর নারীকে সহনশীল। এই দুটো গুণ অর্জন করতে না পারলে সমাজ তাদের ভালো চোখে দেখে না।
 
"মাত্র আমার এক স্কুলমেট, সে যখন তখন কল দেয় আমাকে। এমনও বহু রাত গেছে যখন আমি আমার প্রেমিকরে চু**ছি, তখন তার কল। তাও কি! একবার কল দিয়ে খান্ত হয় না সে, কল না পিক করা পর্যন্ত কল দিতেই থাকে। এক রাতে ১৪৬ বার কল দিয়েছেন। অগাধ ধৈর্য্য তার।"
 
 
___________ হ্যাঁ। মধ্যরাতে কল আসাটা বিরক্তিকর। একান্ত জরুরি কিছু না হলে সাধারণত কেউ মাঝরাতে কাউকে ফোন দেয় না। যদি করে, সেটা অসভ্যতা। লেখক এত রোমাঞ্চকর মুহূর্তে বান্ধবীর ফোন পিক করেন, জেনে প্রীত হলাম। তবে সঙ্গীকে চু**ছি শব্দটা পুরুষকতান্ত্রিক শব্দ। এটা দিয়ে সাধারণত আরেকজনকে ইন-অ্যাক্টিভ বোঝানো হয়। তবে যেহেতু অনেকে মনে করে পুরুষেরাই শুধু আক্টিভ, তাদের ধাক্কা দেওওয়ার জন্য হলে ঠিক আছে। এই  চো***দি শব্দটি নিয়ে মতামত হলো, কে কি লিখবে এটা তার ব্যক্তিস্বাধীনতার মধ্যে পরে। আমার ভালো লাগলে পড়বো, নয়তো পড়বো না।
 
"৫/৬ দিন আগে হঠাৎ রাত ১ টার দিকে কল দিয়ে সে ভীষণ কান্নাকাটি। বলে, "ফ্লোরা, আমি কি করবো বলতো?" আমি বললাম, এই প্রশ্ন আমাকে আর করিস না। আগে বহুবার এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। তার সম্পর্কে কিছু বলি- সে বিবাহিত। একাদশেই বিয়ে করে নেয়। বরের বহুত টাকা। তো আমার এই স্কুলমেট বিবাহের পর আমি যে দোকান দিয়ে কাপড় কিনি, সেও সেই দোকানের এড্রেস আমার কাছ থেকে নিয়ে কাপড় কেনে। আমি যে শ্যাম্পু ইউজ করি, সেও সেই শ্যাম্পু ইউজ করা শুরু করলো। আমি যে জুতা পরি, সেও সে ব্রান্ডের জুতা পিন্দায়। আমি যে ফোন ইউজ করি, সে সেই ফোন কিনল। আমি যদি গাড়িতে চলি, তারও গাড়ি চাই। আমি যে ব্যাগ কিনি, তারও সেটা চাই। এমনকি আমি যে সাবানখানা গায়ে মাখি, সেটাও সে কিনল। এসবে সমস্যা নাই আমার। কিন্তু কথা একটা জায়গাতেই- আমার সমস্ত ব্যবহৃত দ্রব্যের খরচ জোগান আমার বাবা আর ওই স্কুলমেটের সমস্ত খরচ চালান তার বর।"
 
_____________ বাবা আর বরের টাকায় পার্থক্য কোথায় বুঝলাম না। একাদশ শ্রেণীতে যখন কোন মেয়ের বিয়ে হয় এবং মেয়েটা বেকার, সেখানে মেয়েটির তো শুধু অভিভাবক পাল্টেছে। মেয়েটির পুরো রেসপন্সিবিলিটি আগে বাবার ছিল, এখন বরের। এই ঘটনা তো আমাদের দেশে নতুন কিছু না! এত আশ্চর্য হবার কি হল?
 
"এবার রমজানে খুলনায় যেয়ে তার সাথে দেখা। সে আমাকে দেখামাত্র বলে, "ফ্লোরা, তুই তো কালা হইয়া যাইতেছিস। কি সুন্দর ছিলি।" আমি বললাম, আমিতো রোদে পুঁড়ি। সে বলে, "আল্লা, একটু যত্ন নিবি না স্কিনের! ব্লা ব্লা..." আমি শুধু হাসলাম আর বললাম, "আমার সময় হয় না কিংবা সুন্দর, পোড়া-কাটা দাগহীন চামড়ার দরকার পড়ে না আমার। এমনিই দারুণ গ্রহণযোগ্য এবং আকর্ষণীয় আমি, এটাতো তুই নিজেই বলিস। সে আর কিছু না বলে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে যে শ্বাসের ক্ষমতা এতোই যে এশিয়া হয়ে আফ্রিকার এ্যামাজনের গাছের পাতা নড়বে।"
 
____________ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। পুরুতান্ত্রিক সমাজ মেয়েদের সুন্দরী হওয়ার জন্য লেলিয়ে দেয় সেই শিশুকাল থেকে। আপনার বান্ধবী খুব স্বার্থকভাবেই পুরুষতান্ত্রিক নারী হয়ে উঠতে পেরেছে। এতে বেচারার কি দোষ! তার মত কোটি কোটি নারী আছে। আমাদের লড়াই তো তাদের জন্যই। তারা যেনো পুরুষতন্ত্রের ষড়যন্ত্র ঠিকভাবে বুঝে অধিকার সচেতন হয়, সেজন্যই এত লেখালেখি!
 
"আরো বহুকিছু - 
প্রায়ই যখন তখন কল দিয়ে বলে, " ফ্লোরা, আমি আর পারতেছি না। রহিম ( ওর বর, ধরে নেন তার নাম রহিম ) আমার গায়ে হাত তুলে কথায় কথায়। আমারে খুলনা পাঠায়ে দিয়ে বাসায় মেয়ে আনে। আমি কিছু জিজ্ঞাসা করলেই মারে। আমি থাকবো না। এমনকি ও আমার সাথে ঠিকমতো সেক্সও করে না। চুমু খায় না, আদর করে না। জাস্ট ঢুকায় আর বের করে। তাও ৫ মিনিট। বল, এর সাথে থাকা সম্ভব?"
 
_____________ ঘটনা খুবই প্যাথেটিক। মেয়েটি শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার। পাশাপাশি তাঁর সঙ্গী প্রতারক। বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি, যেখানে একগামীতা অবশ্যকাম্য। সঙ্গীর অনুমতি ছাড়া কেউ একস্ট্রা ম্যারিটাল সম্পর্কে জড়ালে সেটা অবশ্যই প্রতারণা। বাংলাদেশের আইনে পরাকিয়া এখনও ফৌজদারী অপরাধ। সুতরাং, মেয়েটির উচিৎ এসব অভিযোগ এনে বরের উপর মামলা করা। তারপর ডিভোর্স দিয়ে দেওয়া। কিন্তু সেখানেও বেশকিছু সমস্যা আছে। ডিভোর্স নিয়ে হয়তো বাবার বাড়ি যাবে, সেখানে তাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হবে না। আবার বিয়ে দেওয়া হবে কোথাও। এসএসসি পাশ করা একটা মেয়ের এদেশে স্বাবলম্বী হওয়া কতটা কঠিন হবে, আদৌ পারবে কিনা! এসব চিন্তা করে খুব কম মেয়েই এই সিচুয়েশন থেকে বেরুতে পারে। অধিকাংশই সয়ে নেয়। কারণ তাদের সওয়ার ট্রেনিং বাল্যকালেই দেওয়া হয়।
 
"আমি সব শুনে প্রতিবার শান্ত গলায় বলি, মানুষ মাত্রই পলিগ্যামাস। তোর নিজের ক্ষমতা নেই, সুযোগ নেই তাই অন্য প্রেম নাই তোর। তোর বরের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আছে, অবস্থান আছে, সুযোগ আছে তাই তার প্রেম হয়, অন্য নারীর শরীর, মনে সুর তোলার সুযোগ তার হয়। আমার এসব কথাতে সে আরো কষ্ট পায়। তারপর বলে, আমি এসব সহ্য করতে পারবো না। আমি বলছি, ক্যারিয়ারে ফোকাসড হ। কিন্তু তার ক্যারিয়ারও অলরেডি টিফিন বাক্স বানায়ে ফেলছে সে। তাকে আমি এ ও বলেছি, তুই ঢাকায় আমার কাছে চলে আয়। আমি আপাতত তোর থাকা-খাওয়ার এক্সপেনসেস দিই। পরে তুই নিজে কিছু করিস। এসব বলার পর প্রতিবার সে রাজি হয় কিন্তু দু'দিন বাদে বর যখন তাকে একখানা ১৫ হাজার টাকার শাড়ি বা বসুন্ধরায় শপিং করায় তখন সে সব ভুইলা যায়।"
 
________________ মানুষ মাত্রই পলিগ্যামাস? সিরিয়াসলি? ক্ষমতা আর সুযোগ থাকলেই সবাই বহুগামীতা চর্চা করবে? নিশ্চিত আপনি? আর প্রাকৃতিক হলেই সবকিছু ভালো হবে এমন তো নয়! মানুষের ধর্ষণপ্রবণতাও তো বিবর্তনের ফসল, তা দিয়ে কি ধর্ষণকে জাস্টিফায়েড করা যায়? তবে বহুগামীতা দিয়ে পরকীয়াকে কেনো জাস্টিফাই করা হচ্ছে? কোন নারী/পুরুষ যদি পরস্পরের সাথে কমিটেড থাকে, সেটা বিয়ে/ লিভ টুগেদার/ প্রেমের সম্পর্ক --কমিটমেন্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আত্মনিয়ন্ত্রণ যেমন আমাদের ধর্ষণ করা থেকে বিরত থাকে, একইভাবে চাইলে আমরা একগামী হতে পারি। তবে কে একগামী থাকবে, কে থাকবে না, সেটা একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। তবে কমিটমেন্ট ফ্যাক্ট এখানে। কেউ প্রতারণা করতে পারবে না। বিয়ের ক্ষেত্রে তো অবশ্যই না। এটা সম্পুর্ণ অনৈতিক।
 
"আমি বিশ্বাস করি এই মেয়ে আর ৪/৫ দিন যেতে না যেতেই আমাকে আবার কল দিয়ে হয়তো রাত ১ টার সময়, যখন আমি চো**দি করবো ঠিক তখনই সে বলবে, "ফ্লোরা, আমি কি করবো? তোর জীবন কতো সুন্দর। কতোকিছু করিস তুই। কষ্ট হলে বসে বসে তোর লেখা পড়ি বা তোর ছবি দেখি।"
 
___________  আহা রে! এরকম মুহূর্তে ফোন আসা খুবই বিরক্তিকর। আর প্রকৃতিও বড় নিষ্ঠুর, আপনার বারবার একই সময় ফোন আসে। সম্ভবত ঠাডা পরছে আপনার একান্ত সময়ের উপর। তবে মেয়েটির শৃঙ্খল ভাঙার ইচ্ছা/আকুতি মনে দাগ কাটার মতো বিষয়। দেখি তারপর কি হয়!
 
"মানে বুঝলেন, আপনাদের লেজে ঘি মাখলেও সোজা হবে না। এই সব নারীরা স্ট্রাগেল করবে না। ভাই, দুনিয়া এত্তো সহজ না। রূপ বিক্রি করে পেট চলে, মন-মান চলে না। পুরুষের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাবে আর বলবে, "আমার বর পরকিয়া করে। আমারে মারে।" ওরা পারেও! মাইর, গুতা, লাঠি, ঝাটা সব খাবে তারপর তাদের মনোবাসনা এমন - "১৫ হাজার টাকার শাড়ি চাই, বসুন্ধরায় শপিং চাই, পারসোনা চাই"। 
 
_______________  শোনেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বেড়ে ওঠা পুরুষরা পুরুষকতান্ত্রিক হবে আর নারীরা হবে 'অধিকার সচেতন' এই চাওয়া অনেকটা হরিণের পেটে বাঘ জন্মানোর মতো। আমাদের সমাজে মেয়েদের সৌন্দর্য আর পুরুষের ক্যারিয়ারকে সর্বাধিক মূল্যায়ন করা হয়। আর সাবলম্বী হওয়া, না হওয়ার সাথে পরিকিয়া কিংবা নারী নির্যাতনের কী সম্পর্ক? সাবলম্বী হলে কি এসব বৈধ হয়ে যেতো? আর গৃহিণী নারীরা পুরুষের মাথায় চড়ে খায় না। তারা মোট কাজের দুই তৃতীয়াংশ করে থাকে। কিন্তু সেসব কাজের কোন মূল্যায়ন করা হয় না। জীবনযাপনের জন্য নারীরা খুব সামান্যই গ্রহণ করে। পুরুষতন্ত্র নারীদের বোকা বানিয়ে সতীত্ব-মাতৃত্বের দোহায় দিয়ে দাসীগিরির এই জীবনটা যাপন করার সংস্কৃতি তৈরি করেছে। একজন নাররীবাদীও যখন এই ষড়যন্ত্রটি ধরতে পারে না বরং নারীদের ব্লেইম করে, সেটা দুঃখজনক।
 
"এইরকম বহু নারী আমাকে প্রচুর বিরক্ত করে। অনেক হয়েছে। আপারা, আপনারা দয়াকরে আমাকে আর কল দিয়ে বিরক্ত করবেন না কিংবা আমার মতো নীলাকাশের উড়ন্ত পাখি বা সূর্যমুখীর মতো গর্বিত জ্বলন্ত ফুল হওয়ার স্বপ্ন দেখবেন না কারণ আপনার জীবন আর আমারটা সমান না। আমাকে কোনো পুরুষ গায়ে হাত তুললে তাকে ছিঁড়ে রক্ত বের করে সেই রক্ত তার জিহ্বায় না মাখায়ে কোনোদিন আসি নি আমি। মৌখিক অপমান করলে তাকে ১০ গুণ অপমান করে আসছি। তার সম্পর্কে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করছি। আমাকে অপমান করে ক্ষমা চাইতে আসলে আমার পায়ের কাছে মাথা না নামানো পর্যন্ত ক্ষমা পাই নি কেউ। এটা আমি। একসময় অন্যের আচরণ প্রভাব ফেলতো আমার উপর। আমি কষ্ট পেতাম। তবে যারা কষ্ট দিতো তাদের হৃদয়কে সারাজীবনের মতো ব্লক করে দিয়েছি আমি। এটা আমি। আমি কারো অপমান, অত্যাচার সহ্য করি নি। কাউকে ক্ষমাও করি নি। তবে ঠান্ডা মস্তিষ্কে কয়েকটা পুরুষের প্রতিশোধ নিয়েছি। তবে, ছেড়ে দিই নি কাউকে।"
 
________________ বেশ ভালো ব্যাপার। অন্যায় সওয়া পুরুষকতান্ত্রিক আচরণ।  আপনার কর্মকান্ড প্রশংসার দাবি রাখে।
 
"আপনারা সুযোগসুবিধা লাভের আশায় অনেক অপমান, অত্যাচার সহ্য করেন। আসলে সুবিধা পেতে হলে করতে হয়। এটা পৃথিবীর নিয়ম। আমার ভাবতে কষ্ট হয় - নারীরা তাদের অপমানকারী, অত্যাচারকারীর বুকে তেল মালিশ করে, তাদের ২ ইঞ্চি লিংগ অমৃতন্যায় চোষে। কিন্তু কেনো? কেনো তারা এসব করে? আর কতোদিন করবে? তোমাদের কি হৃদয়, মেরুদণ্ড বলে কিছুই নেই? না থাকলে কেনো নেই? এগুলো কতো কোটিতে বিক্রি করেছো? কার কাছে বিক্রি করেছো?"
 
________________ ভালো প্রশ্ন। উত্তরটাও সহজ। পুরুষকতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় মেয়েদের মেরুদন্ডের গ্রোথ কিংবা ডেভেলপমেন্ট না হওয়াই স্বাভাবিক। আর আমাদের লড়াইটা এর বিরুদ্ধেই।
 
"আমি এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাই না। এখানে আমার বিপ্লবী কণ্ঠস্বর রুদ্ধ হয়ে যায়।"
 
________________ এসব প্রশ্নের উত্তর খুবই সোজা। শুধু আরেকটু গভীরভাবে ভাবতে হবে।  পুরুষতন্ত্রের কূটকৌশল বুঝতে হবে। কৌশলে নারীদের মুক্তির সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। লেখকের জন্য শুভকামনা রইলো। 
 

  • ৫৪০ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

নওরীন পল্লবী

নারীবাদী লেখক।

ফেসবুকে আমরা