'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' কেনো উচ্চারণ করতে হলো?

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১১, ২০১৯ ২:০৫ AM | বিভাগ : আলোচিত


'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' - নারীকে এই কথা উচ্চারণ কেনো করতে হলো? প্রসঙ্গটা আসলো কেনো? এই কেনো'র উত্তরটা খুঁজে বের করতে পারলে জীবন সহজ হয়ে যেতো আপনারও এবং আমারও।

প্রতিবাদ কিংবা ম্যুভমেন্ট মাইল্ড কিংবা মেজর বলে কিছু নাই, প্রতিবাদ যেকোনো ফর্মে হতে পারে। যেই নারী গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না শ্লোগান পরে ঘুরে ফিরবে সে খারাপ স্পর্শকারীকে ধুমায়ে ঘুষাইতে পারবে - এতে কোন সন্দেহ নাই। তাই প্রতিবাদের এই ফর্ম কে আমি কোনোভাবেই আন্ডারএস্টিমেট করতে রাজী না।

ছোটবেলায় বাসে করে স্কুলে যেতাম - মিরপুর ১ থেকে মিরপুর ২। অতটুকু বয়সে আমার চোখের সামনে এই গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে মধ্যবয়সি পিশাচ লোকগুলোকে নারীদের শরীর হাতাইতে দেখছি এবং দেখছি সেই নারীর অসহায় মুখ।

বাসের হেল্পার যখন পিঠে হাত দিয়ে নারী যাত্রী তুলে তখন তার স্পর্শে কি থাকে তা কি কোনো পুরুষ কোনোদিন জানবে? যে কোনো ভীড়ে কিংবা বাসে পিশাচ পুরুষ যেভাবে নারীকে স্পর্শ করে তার অনুভূতি কি অপর কোনো পুরুষের আছে?

বাসে উঠার সময় হেল্পার কে যখন বলি, ধইরা উঠানোর দরকার নাই তখন সে সাবধান হয়, তারপর আর কোনো নারীকে আমার সামনে পিঠে বা ডানায় ধরে সে উঠায় না।

বাসে ছাতা দিয়ে বাপের সমান এক পিশাচকে পিটিয়ে বাস থেকে নামিয়েছিলাম, সে কিন্তু আমার গা ঘেঁষে দাঁড়ায়নি, আমার পেছনের সীটে বসা ছিলো- অথচ তার হাত আমার বুক স্পর্শ করার চেষ্টা করছিলো।

আরেকদিন এক জোয়ান পিশাচ বাসে আমার পাশে এসে বসলো, তারপর আমার বডি ল্যাংগুয়েজ বুঝে পাশ থেকে উঠে গিয়ে পেছনে আরেক মেয়ের পাশে বসলো- কিছুক্ষণ পর শুনি সেই মেয়ে প্রতিবাদ করতেছে, ঐ পিশাচ মেয়ের উরুতে হাত রাখছিলো ঘুমের ভান করে, ঐ জানোয়ারকে সামনে এনে এক চড় দিয়ে বাস থেকে নামিয়েছিলাম, আর ঐ নারীকে ধমক দিলাম যে মাইরটা সে নিজে কেনো দিলো না।

বাসের মহিলা সিটে সাধারণত বসি না, বাধ্য হলে মাঝে মাঝে বসি। একদিন সামনের সিটে বসে আছি, সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি এক বুড়া শুয়রের বাচ্চা খুব বেশী হলে ১৩ বছরের এক কন্যা শিশুর সাথে দুর্বার ঘষাঘষি করতেছে, ঐ শুয়রের বাচ্চার বডি ল্যাংগুয়েজ না দেখলে বলে বুঝানো সম্ভব না। শিশুটি সিটে বসে আছে এবং ঐ খাটাস তার পাশে দাঁড়িয়ে হায়েনার মতো করতেছে। একসাথে দুইটা কাজ সে করতেছে, উপর দিয়ে আপ্রান চেষ্টা করতেছে সেই শিশুর জামার ভেতর দিয়ে তার স্তন দেখার এবং নীচ দিয়ে বসে থাকা শিশুটিকে সমানে ঘষে যাচ্ছে, সেই শিশু তার পাশে বসে থাকা মহিলাকে কিছু বলতেও পারছেনা, শুধু চেপে যাচ্ছে ভেতরের দিকে। দেখার সাথে সাথে চিৎকার করে বললাম- এই শুয়রের বাচ্চা কি করতেছিস? বুইড়া খবিশ হারামজাদা অবাক হওয়ার ভান করতে থাকলো তারপর বাস থেকে নেমে গেলো।

বাসে খুব ভীড় থাকলে নারীদেরকে উঠায় না কারণ নারীরা উঠলে ইচ্ছামতো ঠেসে পুরুষ যাত্রী নেয়া যায় না। এটাও এক লিঙ্গ বৈষম্য যার শিকার পুরুষ হয় না কখনো। তারপরও ভীড়ের বাসে প্রতিটা নারী এটা জেনেই উঠে যে তার শরীরের সাথে বাসের যাত্রীদের শরীরের ঘষা লাগবে। ভীড়ের ভেতর মানুষ মানুষের গা ঘেঁষে দাঁড়ানো ছাড়া উপায় নাই তো- এটা সবাই বুঝে। কেউ কোন আপত্তি করে না তো। তাহলে কেন এই কথাটা বলতে হচ্ছে নারী কে যে 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'? কারণ বাসে, ট্রেনে রাস্তায় সেই ভীড়ের ভেতর সুপুরুষরা নারীর স্তন নিতম্ব শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হায়েনার মতো হাতায়, তাদের উদ্ধত নুনু দিয়ে নারীর শরীরে ঘষাঘষি করে সামনে থেকে, পেছন থেকে, সাইড থেকে। সেই পৈশাচিক আচরণের প্রতিবাদের নারী বাসে 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' টি শার্ট পরে উঠে, নারী সাবধান করে এবং একইসাথে সচেতন করে মানুষকে এই ম্যুভমেন্ট ও প্রতিবাদ দিয়ে।

বাসে উঠে কোন নারীর পাশে বসলেও কিংবা দাঁড়ালেও চেষ্টা করি যাতে গা ঘেঁষাঘেঁষি না হয় কারণ আমার তো মনে হয় কোন মানুষেরই গা ঘেঁষাঘেঁষি ভালো লাগে না এবং অপরিচিত কারো সাথে তো নয়ই। অনেক পুরুষেরও গা ঘেঁষাঘেঁষি ভালো লাগে না, এও সত্য। অনেক পুরুষকে দেখেছি স্পর্শ বাঁচিয়ে বাসে বসতে এবং দাঁড়াতে কিন্তু সবাই তো এক রকম না, তাই বাধ্য হয়েই বলতে হয়- 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'।

একদিন রাতে এক ছেলে বাসে নিজে উঠে আমাকে বসতে দিলো এবং আমাকে জোর করেই বসালো। পরে সে আমার পাশের সীট টা খালি হওয়ায় আমার পাশে এসেই বসলো। গল্প করলাম দুজন- নুতন চাকরীতে ঢুকেছে ছেলেটা, অফিস শেষে বাড়ি ফিরছে। যেই কারণগুলো মাথায় রেখে সে আমাকে জোর করে বসিয়েছে তার অনেক কয়টার সাথেই আমার মতের মিল নেই কিন্তু সে একটা কথা বলেছিলো- 'আপু, বাসে কিছু লোক নারীদের সাথে অসভ্যতা করে; এটা আমি মানতে পারি না, আমার পরিবারের কোনো নারী কোথাও এমন হেনস্থা হোক আমি চাইনা এবং আপনিও তেমন কোন পরিস্থিতিতে পরেন তা আমি চাইনা- আমার ভালো লাগবে না'... এই নিরাপদ পুরুষ পাশে গা ঘেঁষে দাঁড়ালে কোন নারী জীবনেও ভীড়ের মাঝে বলবে না যে - 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'। সেই সমাজ, সেই মানব সমাজ গড়ে তুলুন, যৌন নিপীড়ন- ধর্ষণকে উস্কে না দিয়ে, প্রশ্রয় না দিয়ে।

নারী তার মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার, সমান অধিকার চাওয়ার সাথে সাথে পুরুষের ন্যায় কাজ কর্ম কষ্ট করতে রাজী হয়েই রাস্তায় নামে, ভীড়ে মানুষের ধাক্কাধাক্কিতে নারী নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয় নির্দ্বিধায় কিন্তু নারী যে যৌন হয়রানির শিকার হয় সেটার সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না বলেই বলছে - 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'।

নারী সমান অধিকার চায় মানে কিন্তু নারী পুরুষকে যৌন হয়রানি করার ইচ্ছা পোষণ করে না এবং নিজেও যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হতে চায় না। আর যাই হোক পুরুষকে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের ভয়ে কাতর ও আতঙ্কগ্রস্ত থাকতে হয় না ঘরে বাহিরে কোথাও। এই মানসিক চাপ নিয়ে তাকে নিত্যদিন যাপন করতে হয় না। এই চাপের ভয়াবহতা কখনো পুরুষ উপলব্ধি করতে পারবে না যা শ্রমজীবী নারীর প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী তাই বাধ্য হয়ে বলতে হয়- 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'।

একজন কর্মজীবী নারীকে প্রতিদিন ঘরে বাহিরে কতটা মানসিক চাপ সহ্য করতে হয় তা কি পুরুষ জাত জানে? শ্রমজীবী পুরুষ ঘরে বাহিরে বিভিন্ন কারণে যেই মানসিক চাপ সহ্য করে থাকে, ঠিক সেসব চাপের সাথে শ্রমজীবী নারীকে বাড়তি কিছু চাপ, বাড়তি কিছু আতঙ্ক নিয়ে চলতে হয় সমাজে ঘরে বাহিরে প্রতিনিয়ত।

শ্রমজীবী নারীর ঘরে চ্যালেঞ্জ, রাস্তায় চ্যালেঞ্জ, যানবাহনে চ্যালেঞ্জ, কর্মক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জ ছাড়া কোনো শ্রমজীবী- কর্মজীবী নারী একটা দিনও পার করে বলে মনে হয় না। পুরুষের চাইতেও অনেক বেশী মানসিক চাপ নিতে হয় শ্রমজীবী নারীকে প্রতিদিন নারী পুরুষ বৈষম্য, যৌন ও পারিবারিক হয়রানি এবং নিপীড়নের কারণে। কর্মজীবী নারীকে ঘরে এবং বাহিরে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের লড়াই, নিজের টিকে থাকার লড়াই, নিজের সম্মানের লড়াই, নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখার লড়াই, সর্বোপরি বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যেতে হয় নিরন্তর।

প্রিভিলেইজড শ্রমজীবী নারী খুঁজে পাওয়া ভার, প্রিভিলেইজড কর্মজীবী নারী কয়জন আছে আমাদের সমাজে? নারীকে কিভাবে কিভাবে অপমান করে এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ও সমাজের আধিপত্যবাদীরা! চোখ দিয়ে, ভাষা দিয়ে, ইশারা দিয়ে, হাত দিয়ে, সমস্ত শরীর দিয়ে পুরুষ পিশাচেরা নারীদেরকে প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানি করে, ধর্ষণ করে।

এই 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' এর সাথে কোন যুক্তিতে এবং কোন বিবেকে অন্যকিছুকে মিলাচ্ছেন কেউ কেউ? জানি না, মানে বুঝতে পারি না। নারী পুরুষ যদি ইচ্ছা করে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে সেটা নিয়ে তো এই 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' ম্যুভমেন্ট কোন হস্তক্ষেপ করছে না, কোন সম্পর্কই নাই এই দুই এর ভেতর। ঘরে বাহিরে যানবাহনে কর্মক্ষেত্রে কেউই নারীকে খারাপভাবে স্পর্শ করতে পারবে না, কামার্ত মন চোখ হাত দিয়ে হাতাইতে পারবে না, নারীর অনিচ্ছায় তার গা ঘেঁষে দাঁড়াতে পারবে না, নারীকে যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নির্যাতন ধর্ষণ করতে পারবে না, নারীর অনুমতি ব্যাতিরেকে কেউই তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। এই তো মোদ্দা কথা।

আপনাদের সমস্যা কোথায়...? অনিচ্ছাকৃত স্পর্শ কিংবা ঘেঁষে দাঁড়ানো আর ইচ্ছাকৃত স্পর্শ ঘষাঘষি'র ভেতর পার্থক্য আছে এবং সেইটা যে কোনো সংবেদনশীল মানুষ কিংবা প্রাণী বুঝতে পারে। এই লেখা তো সেই পুরুষের জন্য না, যে নারীকে সম্মান করে এবং নিজের পাশবিকতাকে নিয়ন্ত্রণ করে অবিরত মানুষ হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাহলে কেনো আপনারা এমন রিঅ্যাকশান দেখাচ্ছেন?

সমালোচনা যারা করছেন, যারা বিভিন্নভাবে ইতরামি করছেন এই স্লোগান নিয়ে, স্লোগানকে বিকৃত করে ট্রল করছেন তারা নিঃসন্দেহে ইচ্ছাকৃতভাবে নারীর গা ঘেঁষে দাঁড়ানো হায়েনা পিশাচ। যারা এই আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' র জায়গায় অশ্লীল শব্দ বসিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছেন, তারা নিঃসন্দেহে ধর্ষকামী এবং নারী নির্যাতক।

টি-শার্টে 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না' লিখে সেই টি শার্ট পরে ক্যাম্পেইন চলছে। এজন্য বরাবরের মত পোশাককে দায়ী করা হচ্ছে নারী নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের কারণ হিসেবে। অথচ কন্যা শিশু থেকে শুরু করে শাড়ী সালোয়ার কামিজ ওড়না পড়া, বোরকা হিজাব পরা নারী, বৃদ্ধ নারী পর্যন্ত ধর্ষণের ও যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। পুরুষের ধর্ষকামী, ধর্ষক, যৌন নিপীড়ক হওয়ার সাথে নারীর পোশাকের কোন সম্পর্ক নাই এবং নারীর পোশাক নিয়ে আধিপত্যবাদী হওয়ার কোন অধিকারও কারোর নাই।

বোরকা পরা শ্রমজীবী নারী এবং শিক্ষার্থী নারীদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখুন তাদের উপর যৌন নিপীড়ন ধর্ষণ চলে কিনা। আমাদের দেশে যেসব নারী ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি নিপীড়নের শিকার হয় তাদের বেশীরভাগেরই পোশাক এই সমাজ ও ধর্ম মতে শ্লীল পোশাক। অশ্লীল না, তারপরও পুরুষ হায়েনার বিকৃতি ও ছোবল থেকে নারী শিশু কেউই রক্ষা পায়না। যারা পোশাকের কথা বলে বিতর্ক তুলে, তারা নারী পুরুষ নির্বিশেষে ধর্ষকামী এবং যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের সমর্থক।

একটা পুরনো তথ্যমতে, রাস্তা-ঘাটে নারীর উপরে যে যৌন নিপীড়ণ এবং বৈবাহিক কাঠামোর মধ্যে যে ধর্ষণ তার হিসাব ছাড়াই পৃথিবীতে প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে প্রায় পৌনে ২ কোটি নারী যৌন নিপীড়ণের শিকার হন, পৃথিবীতে প্রতিদিন প্রতি ২ হাজার নারীর মধ্যে ১ জন ধর্ষণের শিকার হন। প্রতিদিন পৃথিবীতে যতো বিয়ে হয় তার এক-তৃতীয়াংশের বিচ্ছেদ ঘটে পারিবারিক নিপীড়ণের কারণে। এসব কারণেই নারী বলতে বাধ্য হচ্ছে- 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'।

নুসরাত জাহান রাফি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, বোরকা পরেন, তাকে যৌন নিপীড়ন করে তারই শিক্ষক মাওলানা।  আপনার বোরকা কি পেরেছে সেই যৌন নিপীড়নকে ঠেকাতে? রাফি কে প্রতিবাদের কারণে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কই আপনারা তো সেই ধর্ষকামী মাওলানার ছবিটা ভাইরাল করলেন না, তার বিরুদ্ধে বিচার চাইলেন না। কিন্তু আপনারা নারীর দুদু নিয়ে পোস্ট ভাইরাল করতেছেন (আপনার মা'র এই দুদু'র ঋণ আপনি কখনোই শোধ দিতে পারবেন না, তারপরও দুদু নিয়ে আপনার বিকৃতি আর অবক্ষয়ের সীমা নাই!)। কতোটা বিকৃত আপনারা একবার ভেবে দেখেন। জগতের সব দুদুই যে আপনার না- এটা বুঝার মতো স্বাভাবিক সুস্থতা আপনার নাই। জগতের সকল দুদুর উপর যে ঝাপায়ে পরা যায় না পিশাচের মতো, সেই সত্যকে মেনে নেয়ার মতো সুস্থ মানসিকতা, জীবনাচরণ আপনার নাই। কতটা পৈশাচিক আচরণ আর অসুস্থ মনন আপনার বুঝে দেখেন।

অবশ্যই সব পুরুষ একরকম না, সবাই পিশাচ হায়েনা ধর্ষক না তবে আমাদের কারোরই অস্বীকার করার উপায় নাই যে, এই সমাজের বেশীরভাগ পুরুষ কোন না কোন ফর্মে যৌন নিপীড়ক, পিশাচ, ধর্ষক। আর এইসব নিপীড়ক পিশাচের জন্য বলতে হয় 'গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না'।


  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

পূর্ববর্তী লেখা পরবর্তী লেখা

বিঃদ্রঃ নারী'তে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার বিষয়বস্তু, ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যসমুহ সম্পূর্ণ লেখকের নিজস্ব। প্রকাশিত সকল লেখার বিষয়বস্তু ও মতামত নারী'র সম্পাদকীয় নীতির সাথে সম্পুর্নভাবে মিলে যাবে এমন নয়। লেখকের কোনো লেখার বিষয়বস্তু বা বক্তব্যের যথার্থতার আইনগত বা অন্যকোনো দায় নারী কর্তৃপক্ষ বহন করতে বাধ্য নয়। নারীতে প্রকাশিত কোনো লেখা বিনা অনুমতিতে অন্য কোথাও প্রকাশ কপিরাইট আইনের লংঘন বলে গণ্য হবে।


মন্তব্য টি

লেখক পরিচিতি

শামীম আরা নীপা

এক্টিভিস্ট

ফেসবুকে আমরা